Search
Friday 7 May 2021
  • :
  • :

সর্বাত্মক লকডাউন যেমন হবে

সর্বাত্মক লকডাউন যেমন হবে

ঢাকা, ১০ এপ্রিল: ঢিলেঢালা লকডাউনে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউনের ঘোষণা দিতে যাচ্ছে সরকার। শুক্রবার (৯ এপ্রিল) সকালে এমন ইঙ্গিতই দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

একইদিনে আসন্ন কঠোর লকডাউনে জরুরি সেবা ছাড়া সরকারি-বেসরকারি অফিস, কলকারখানা ও যানবাহন বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

সরকার আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউন দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নেওয়ায় এবং জনগণের অবহেলা ও উদাসীনতার কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। বর্তমান করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি আরও কয়েক সপ্তাহ অব্যাহত থাকলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতরের একটি সূত্র।

তবে বর্তমানে চলমান লকডাউন আর সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যে পার্থক্য কী হবে? এখন যেভাবে লকডাউন চলছে, সর্বাত্মক লকডাউনের সময়ও কি একই পরিস্থিতি থাকবে? নাকি নিষেধাজ্ঞার আওতা বাড়বে?

এ নিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, সর্বাত্মক লকডাউন বলতে যে চিন্তাটি করা হয়েছে সেটা হলো শুধু জরুরি সেবা ছাড়া আর কোনো কিছুই চলবে না। এখন যেমন কিছু কিছু বিষয়ে নমনীয়তা দেখানো হচ্ছে, সেটি হয়তো তখন আর করা হবে না।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের জনস্বাস্থ্যবিদরাও এই পরামর্শ দিয়েছেন।

বর্তমানে যে লকডাউন চলছে সেখানে সব ধরনের গণপরিবহন চলছে। বাজার, শপিং মল খোলা হয়েছে। অফিস–আদালত, ব্যাংক, বিমা সবকিছুই খোলা। বেসরকারি খাতের সবকিছুই খোলা। খোলা রয়েছে শিল্পকলকারখানা। তবে ওষুধের দোকান, নিত্যপণ্যের দোকান জরুরি সেবার মধ্যেই পড়ে, তাই এগুলো সর্বাত্মক লকডাউনেও খোলা রাখা হবে।

তবে নিত্যপণ্যের দোকান খোলা রাখার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হতে পারে। আর সরকারের অন্যান্য জরুরি সেবা হলো বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন, স্বাস্থ্য, ত্রাণ বিতরণ, স্থলবন্দর, ইন্টারনেট, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আনা–নেওয়া ও এর সঙ্গে জড়িত অফিসগুলো।