Search
Sunday 26 January 2020
  • :
  • :

মা-মেয়ের নিরাপত্তার সিদ্ধান্ত দেবেন আদালত

মা-মেয়ের নিরাপত্তার সিদ্ধান্ত দেবেন আদালত

বগুড়া, ৭ আগস্ট : বগুড়ায় ধর্ষণের শিকার ছাত্রী ও তার নির্যাতিত মাকে আজ সোমবার সকালে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তাঁরা দুপুরের দিকে বগুড়ার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম শ্যামসুন্দর রায়ের আদালতে যাবেন। তাঁদের নিরাপত্তার ব্যাপারে আদালতের সিদ্ধান্ত দেওয়ার কথা।

বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক আবদুল মোত্তালেব হোসেন বলেন, মা-মেয়ে দুজনই এখন শারীরিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ। এ কারণে দুজনকেই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ছাড়পত্র দেওয়ার বিষয়টি পুলিশকেও জানানো হয়েছে। এখন তাঁরা হাসপাতাল থেকে কোথায় ফিরবেন, সেই সিদ্ধান্ত নেবে পুলিশ।

মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা ও বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, ছাত্রী এবং এ ঘটনায় করা দুটি মামলার বাদী ছাত্রীর মাকে হাসপাতালে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য জেলার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম শ্যামসুন্দর রায়ের আদালত নির্দেশ দিয়েছিলেন।

সেই অনুযায়ী হাসপাতালে পুলিশি পাহারা বসানো হয়েছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ছাড়পত্র দেওয়ার পর তাঁরা বাসায় ফিরবেন, নাকি কোনো সেফহোমে যাবেন, সেই সিদ্ধান্ত জানতে দুপুরের মধ্যে একই আদালতে মা-মেয়েকে হাজির করা হচ্ছে।

ছাত্রী বলেছেন, আদালত আদেশ দিলে তাঁরা শহরের চকসূত্রাপুর নামাজগড় বেগমবাড়ি লেনের ভাড়া বাসায় ফিরবেন। ধর্ষণ ও নির্যাতনের দুই মামলায় বহিষ্কৃত শ্রমিক লীগ নেতা তুফান সরকার, তাঁর স্ত্রীর বড় বোন পৌর কাউন্সিলর মার্জিয়া আকতার ওরফে রুমকিসহ গ্রেপ্তার ১১ আসামি এখন কারাগারে।

গতকাল রোববার দুই দিনের রিমান্ড শেষে তুফান ও রুমকিকে বগুড়ার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে হাজির করে আবার রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালত তা নামঞ্জুর করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আবুল কালাম আজাদ বলেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তুফান নির্যাতিত ছাত্রীকে ধর্ষণ এবং নারী কাউন্সিলর রুমকি নির্যাতন ও চুল কেটে দেওয়ার কথা স্বীকার করেননি। তবে এই মামলায় তুফান সরকারের সহযোগী আতিক, মুন্না ও নাপিত জীবন রবিদাস ইতিমধ্যেই আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।