Search
Friday 16 November 2018
  • :
  • :

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: বাংলাদেশের পুনর্জন্মের ভিত্তি

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: বাংলাদেশের পুনর্জন্মের ভিত্তি

১৯৮১ সালের ১৩-১৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিলে শেখ হাসিনাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সময় ভাগ্যক্রমে বিদেশে অবস্থান করায় প্রাণে বেঁচে যাওয়া শেখ হাসিনা নির্বাসিত জীবন যাপন করছিলেন দিল্লিতে। সভাপতি পদ গ্রহণে শেখ হাসিনাকে রাজি করানো এবং দেশে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগের অংশ হিসেবে দিল্লিতে একাধিক বৈঠকে বসেন আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। এদের মধ্যে ছিলেন আবুল মালেক উকিল, ড. কামাল হোসেন, জিল্লুর রহমান, আব্দুল মান্নান,  আবদুস সামাদ আজাদ, এম কোরবান আলী, বেগম জোহরা তাজউদ্দিন, সাজেদা চৌধুরী, ডাঃ এস এ মালেক, আমির হোসেন আমু, আব্দুর রাজ্জাক ও তোফায়েল আহাম্মেদ।

২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দিল্লিতে কয়েক দফা বৈঠক হয় আওয়ামী নেতৃবৃন্দের। ইতোমধ্যেই পাকিস্তানপন্থী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং বিএনপি দেশব্যাপী প্রচারণা শুরু করে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা প্রতিরোধের জন্য। তারা সারা দেশে প্রচুর লিফলেট ও হ্যান্ডবিল বিতরণ করে। জয় ও পুতুল জল বসন্তে আক্রান্ত হওয়ায় শেখ হাসিনার ঢাকা প্রত্যাবর্তন কয়েকদিন বিলম্বিত হয়। ১৯৮১ সালের ১৭ মে দুপুর  ১২টায় পুতুলকে নিয়ে ঢাকায় আসেন শেখ হাসিনা। কিছুটা হলেও ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ বঙ্গবন্ধুর ঢাকা বিমান বন্দরে অবতরণের মত।

ওই দিন বঙ্গবন্ধুর অবতরণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নামক প্রজাতন্ত্রটি দৃঢ় ভিত্তির উপর দাঁড়িয়েছিল। ১৭ মে শেখ হাসিনার ঢাকা বিমান বন্দরে অবতরণের মধ্য দিয়ে যে ভিত্তিকে উপড়ে ফেলার চেষ্টায় নড়বড়ে করে ফেলা হয়েছিল তা পুনঃগ্রথিত হওয়ার যাত্রার শুভ সূচনা। শেখ হাসিনাকে পেয়ে বাঙালি তার ‘বাঙালিত্ব’ ও ‘বাংলাদেশকে’ ফিরে পাওয়ার আশায় বুক বাঁধলো। আকাশ বাতাস প্রকম্পিত হয় ‘জয় বাংলা,’ ‘জয় বঙ্গবন্ধু’স্লোগানে। জনস্রোতে কুর্মিটোলা বিমান বন্দরের শৃংখলা ভেঙে পড়েছিল। অনেক ঝুঁকি নিয়েই অবতরণ করেছিল শেখ হাসিনাকে বহনকারী ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের ৭০৭ বোয়িং বিমানটি। লক্ষ লক্ষ মানুষ রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে ছিল। গগণবিদারী স্লোগানের মধ্যে বেরিয়ে আসেন সাদা রঙের উপর কালো ডোরাকাটা তাঁতের মোটা শাড়ি পরা প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি তখন কাঁদছিলেন, প্রকৃতিও একই পথ ধরল চারদিক অন্ধকার হয়ে বৃষ্টি শুরু হলো, সাথে ঝড়। ট্রাক ও মিছিল চলছিল খুব ধীর গতিতে। সেই মিছিলে যোগ দেবার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। মিছিল বনানী করবস্থান হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউতে আসতে তিন ঘণ্টা সময় লাগল। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় যখন শেখ হাসিনা গণসংবর্ধনার মঞ্চে দাঁড়ালেন তখনও প্রচণ্ড ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে দাঁড়িয়ে ছিল কমপক্ষে দশ লাখ মানুষ। শেখ হাসিনা কান্নাজড়িত কণ্ঠে আবেগময় ভাষণ দেন। তবে ভাষণে দৃঢ়তার কোনো অভাব ছিল না। আওয়ামী লীগের মত স্বাধীনতার নেতৃত্ব দানকারী বৃহৎ সংগঠনটিকে নেতৃত্ব দানে যে তিনি নিশ্চিতভাবে সফল হবেন তার বক্তৃতায় সে লক্ষণই পরিলক্ষিত হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘‘বাংলার মানুষের পাশে থেকে মুক্তি সংগ্রামে অংশ নেয়ার জন্য আমি এসেছি। আমি আওয়ামী লীগের নেত্রী হওয়ার জন্য আসিনি।

আপনাদের বোন হিসাবে, মেয়ে হিসাবে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী আওমামী লীগের কর্মী হিসাবে, আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই।’ তার আগমনে গণজোয়ার নিয়ে আসে সারা দেশে। হতাশাগ্রস্ত আওয়ামী লীগ কর্মীরা সুসংগঠিত হতে শুরু করেন। বিপন্ন যে জাতি যার দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রামের সকল অর্জন হারাতে বসেছিল তাদের মনে আবারও হারানো মুক্তিযুদ্ধে মূল্যবোধ ফিরে পাওয়ার আশা ফিরে আসে। শুরু হয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার আন্দোলনের পথ চলা। এরই মধ্যে ১৯৮১ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানে নিহত হন। অবশ্য এটি ছিল জিয়ার আমলে অনেক সামরিক অভ্যুত্থানের একটি। ’৭৫ থেকে ’৮১ পর্যন্ত সময় সেনাবাহিনীতে বহু অভ্যুত্থান ও পাল্টা অভ্যুত্থানে প্রাণ দিতে হয় হাজার হাজার সেনাসদস্যকে। এদের অনেককেই বিনা দোষে জিয়াউর রহমান হত্যা করেছিলেন বলে বহু প্রমাণ আছে।

জিয়াউর রহমানের হত্যার মধ্য দিয়ে স্বৈরশাসনের অবসান হল না বরং উল্টো ‘হেলিকপ্টার-সানগ্লাস-সাফারির’ জায়গায় জেঁকে বসল ‘ছেড়া গেঞ্জি ও ভাঙা সুটকেস’  বাহিনী। কালুরঘাট এলাকা থেকে কথিত জিয়ার লাশের বাক্স ঢাকায় এনে লুই আই কানের স্থাপত্য নক্সার চরম বিচ্যুতি ঘটিয়ে মাজার নির্মাণ করা হল পবিত্র সংসদ এলাকায়। পাঠক লক্ষ্য করবেন জিয়ার কথিত দ্বিতীয় কবরস্থান মিডিয়াতে এবং বিএনপি পক্ষ থেকে ‘মাজার’ হিসাবে প্রচার চালানো হয়। অবশ্য জিয়ার মাজার তৈরির আগেই সংসদ ভবন এলাকায় সামনের দিকে আরেক কোণায় দখল নেয় সবুর খান সহ পাকিস্তানপন্থী কুখ্যাত রাজাকারের দল, সেটাও করেছিল জিয়াউর রহমান পরিকল্পিতভাবেই।

১৯৮১ সালের ১৫ নভেম্বর ভোট কারচুপি ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে বিচারপতি সাত্তারকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করে নিয়ে আসে বাঙালির ইতিহাসের আর এক খলনায়ক এইচ এম এরশাদ। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ড. কামাল হোসেনকে প্রার্থী মনোনীত করেছিল। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ ‘ছেড়া গেঞ্জি আর ভাঙা সুটকেস’ বাহিনীর শিখণ্ডি বৃদ্ধ সাত্তারকে সরিয়ে জেনারেল এরশাদ ক্ষমতা কুক্ষিগত করেন। এরশাদ ক্ষমতা দখল করে জিয়ার পাকিস্তানি অসমাপ্ত কাজে নিবিড়ভাবে হাত দেন। ‘মাজার-পীর ও লেডি’ সংস্কৃতির নব উত্থান ঘটে রাজনীতিতে। চরম ভণ্ডামীর অংশ হিসাবে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম কায়েম করেন। বিভিন্ন পীর বিশেষ করে আটরশির পীর চলে আসেন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্র বিন্দুতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কে হবেন তার  সিদ্ধান্ত আসত আটরশি থেকে।

কথিত আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনেট কর্তৃক প্যানেল নির্বাচনের রাতেই এক প্রার্থী চলে গিয়েছিলেন আটরশি, কিন্তু অধিকতর চতুর অন্যজন প্রতিদ্বন্দ্বী বহর আটরশি পৌঁছার আগেই এরশাদের এক বন্ধুকে দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ সই করিয়ে নেন। মাদ্রাসা ও মসজিদেকে ব্যবহার শুরু করেন রাজনৈতিক লুণ্ঠনের আবরণ হিসেবে। বেঁচে থাকলে যুদ্ধাপরাধের দায়ে বিচারে যার ফাঁসি হত এমন রাজাকার নেতা মাওলানা মান্নানকে মন্ত্রী বানিয়েছিলেন। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, আনোয়ার জাহিদরা পাকিস্তানিকরণের সিপাহসালার হিসেবে যোগ দেন এরশাদ বাহিনীতে। একই ধারাবাহিকতায় চুরির দায়ে জেল খাটার পর বেগম খালেদা জিয়ার উজির বাহিনীতে এসে শামিল হন আলবদর বাহিনীর প্রধান মতিউর রহমান নিজামী আর আলী আহসান মুজাহিদ।

জিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করে এরশাদও হ্যাঁ-না গণভোটেরই খেলা আয়োজন করেছিলেন। এবার ভোটার উপস্থিতি দেখানো হয় ৯৫ শতাংশ যার ৭১ শতাংশ এরশাদের ১৮ দফা কর্মসূচির পক্ষে। সামরিক শাসন চলতে থাকে। ১৯৮৩ সালের শুরুতে আওয়ামী লীগের ১৫ দলীয় ঐক্যজোট গঠিত হয়। ৯ এপ্রিল হোটেল ইডেনে অনুষ্ঠিত ১৫ দলীয় ঐক্যজোটের এক সম্মেলনে শেখ হাসিনা সামরিক শাসন বিরোধী ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ১৯৮৬ সালের মার্চে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এরশাদ বিরোধী আন্দোলন তুমুল আকার ধারণ করে। ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত শেখ হাসিনাকে কয়েকবার গৃহবন্দী করা হয়। ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার সমাবেশমুখী মিছিলে গুলি চালিয়ে এরশাদের পেটুয়া বাহিনী ৩৮ জন নেতাকর্মীকে হত্যা করে। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান শেখ হাসিনা। শুরু হল শেখ হাসিনাকে হত্যার আনুষ্ঠানিক মহড়া যা ২১ আগস্ট ২০০৪ সালে ‘ভাঙা সুটকেস’ বাহিনীর অন্যতম কর্ণধার হাওয়া ভবনখ্যাত তারেক জিয়ার নেতৃত্বে গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে চূড়ান্ত রূপ পায়।

১লেডি(মেরি)-পীর-বাম-রাজাকার-গোয়েন্দা’ শাসিত শাসনব্যবস্থা ভীত রক্ষার জন্য ব্যক্তি জীবনে ধর্মীয় অনুশাসনের বহু দূরে অবস্থানকারী এরশাদ রাষ্ট্রের জন্য ধর্ম নির্ধারণ করে দেন ইসলাম। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অনুভূতি নিয়ে রাজনীতিই ছিল এর উদ্দেশ্য। কোনো কিছুতেই এরশাদের শেষ রক্ষা হয়নি, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এরশাদ বিরোধী আন্দোলন এত বেগবান হয়ে যে জরুরি অবস্থা জারি করেও এরশাদ ব্যর্থ হন। সামরিক বেসামরিক আমলারা পক্ষ ত্যাগ করতে শুরু করে। আ স ম রব ও মওদুদরা পিছুটান দিতে থাকে।

১৯৯০ এর ৬ নভেম্বর শেখ হাসিনা পান্থপথের জনসভায় সাংবিধানিক পন্থায় ক্ষমতা হস্তান্তরের পথ দেখান। ৬ ডিসেম্বর সেই রূপরেখা অনুযায়ী এরশাদ শাসনের অবসান হয়। তারপরও ষড়যন্ত্রকারীরা দমে যায়নি। ১৯৯১ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর সূক্ষ্ণ কারচুপির নির্বাচনের মাধ্যমে আবার ক্ষমতায় ফিরে আসে ক্যান্টনমেন্টবাসী। ক্যান্টমমেন্টে অবস্থানকারী বেগম খালেদা জিয়ার দল ৩০% ভোট পেয়ে জামায়াতের সহযোগিতায় ক্ষমতাসীন হয়। শতকরা ৩৮ ভাগ ভোট পেয়েও আসন সংখ্যার হিসাবে আওয়ামী লীগ আবারো রাজপথে।

ক্যান্টনমেন্ট নিবাসী খালেদা জিয়া তার উত্তরসূরি ক্যান্টনমেন্টবাসী জিয়া-এরশাদের মতোই নির্যাতন, নিপীড়ন, লুণ্ঠন, সীমাহীন দুঃশাসনের রাজত্ব কায়েম করে। ১৯৯২ সালে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের পুনঃগঠন ও পুনঃবিন্যাসে উদ্যোগী হন। বিভিন্ন কমিটি ও উপকমিটি গঠন করে দলীয় রাজনীতিতে আধুনিক ব্যবস্থাপনায় ও মেধার সমাবেশ ঘটান। আওয়ামী লীগ তার ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে আধুনিক মানসিকতার দলে রূপান্তরিত হয়। ঘাতক-দালাল নির্মূল ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের আন্দোলনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে আওয়ামী লীগ। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আন্দোলনও বেগবান করা হয়। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রহসনের এক নির্বাচন করে বিএনপি, কিন্তু উক্ত ক্ষমতায় টিকতে পারেনি। ৩০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া পদত্যাগ করেন।

২১ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনে অংশ নেন। শেখ হাসিনার বিজয় আঁচ করতে পেরে ক্যান্টনমেন্টবাসী অন্ধকারের শক্তি আবারও অভ্যুত্থানের চেষ্টা চালায়, জাগ্রত জনতার প্রতিরোধের ভয় এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিচক্ষণতায় তা ব্যর্থ হয়। ২৩ জুন সংখ্যাগরিষ্ঠ আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র পরিচলানার দায়িত্ব বহন করে। বাংলার জনগণ তাদের হৃত মুক্তিযুদ্ধের  বাংলাদেশ আবার ফিরে পায়। আবার সক্রিয় হয় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরা। ২০০১ সালে পাকিস্তানপন্থীদের আবার ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা হয়। এ

বার জামায়াতে ইসলামী চলে আসে ক্ষমতার কেন্দ্রে, মন্ত্রীসভায় ঠাঁই করে নেয় তারা, জঙ্গি উত্থানের সকল পৃষ্ঠপোষকতা শুরু হয় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে, সামরিক গোয়েন্দারা হাওয়া ভবনের সাথে মিলেমিশে শুরু করে অস্ত্র এবং  মাদকের ব্যবসা, দশ ট্রাক অস্ত্র এরই অংশ। শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য গ্রেনেড হামলা সহ পরিচালনা করা হয় একাধিক হত্যা প্রচেষ্টা।

একই ধারায় দেশ চলে ২০০৯ সালের আগ পর্যন্ত এমন কি ২০০৭-৮ সালে আবারো দেশকে দখলে নেয় পাকিস্তানি মানসিকতার সামরিক গোয়েন্দা ব্রিগেডিয়ার বারী ও আমিনরা। একমাত্র শেখ হাসিনার নেতৃত্বের দৃঢ়তার কারণেই ২০০৯ পরবর্তী বাংলাদেশ সেনা বা সেনাসমর্থিত শাসনের অবসান হয়। বাংলাদেশ যাত্রা শুরু করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উন্নয়নের মহাসড়কে।

অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান : উপাচার্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

সৌজন্যে : ঢাকা টাইমস