Search
Sunday 19 August 2018
  • :
  • :

সিরিয়ায় বিদ্রোহীদের উপর রুশ বিমান হামলা, ৪৪ জন নিহত

সিরিয়ায় বিদ্রোহীদের উপর রুশ বিমান হামলা, ৪৪ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ৯ জুন : গৃহযুদ্ধ কবলিত সিরিয়ায় বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত ইদলিব প্রদেশে রাতভর রুশ বিমান হামলায় কমপক্ষে ৪৪ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৬ জন শিশু রয়েছে। তবে মস্কো বিমান হামলার কথা অস্বীকার করেছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক পর্যবেক্ষক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেশন ফর হিউম্যান রাইটস শুক্রবার এ তথ্য জানায়। আল-জাজিরা, রয়টার্স

রাশিয়ার যুদ্ধ বিমানগুলো ইদলিবের উত্তরাঞ্চলের জর্ডান গ্রামকে লক্ষ্য করে রাতভর হামলা করেন, এতে এগারো জন নারী ও ৬ জন শিশু মারা যান , এটি চলতি বছর একদিনে সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা বলে উল্লেখ করেন সিরিয়ান অবজারভেশন ফর হিউম্যান রাইটস এর পরিচালক রামি আব্দুল রাহমান।

রাশিয়ার এই বিমান হামলায় আরো ৬০ জন আহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর বলে জানান রামি আব্দুল রাহমান। এতে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

হোয়াইট হেলম্যাট রেসকিউ গ্রুপের উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, বিমান হামলার লক্ষ্য ছিল ইদলিবের জর্ডান গ্রামের মসজিদের কাছে একটি বিপনি বিতান। হোয়াইট হেলম্যাট রেসকিউ গ্রুপের সদস্যরা হামলাস্থলে এখনো উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

তবে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সিরিয়ার বিদ্রোহীদের উপর হামলার কথা অস্বীকার করেন। রাশিয়ার গণমাধ্যম জানায় যে, ইদলিবের বিমান হামলা ছিল খুবই ভয়ংকর একটা হামলা।

ইদলিবের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকাটি পুরো সিরিয়াতেই সবচেয়ে জনবহুল এলাকা। সিরিয়া সরকারের সাথে লড়াইয়ের বেশিরভাগ সময়েই এ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ ছিল বিদ্রোহীদের হাতে। সম্প্রতি বাশার আল আসাদের সরকার রাশিয়া ও ইরানের সহায়তায় এ এলাকা পুনর্দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। যৌথ এ হামলার প্রেক্ষিতে হাজার হাজার বিদ্রোহী যোদ্ধা ও বেসামরিক লোকজন এ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে।

কয়েক বছর ধরে এ লড়াইয়ে এক সময় বিদ্রোহীদের হাতে দেশটির বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য এলাকার নিয়ন্ত্রণ চলে গিয়েছিল। ২০১৫ সালে রাশিয়া সিরিয়ার সরকারের সাহায্যে এগিয়ে আসে এবং বিদ্রোহীদের ওপর হামলা চালায়। বর্তমানে রুশ বাহিনীর সহায়তায় বাশার সরকার এখন দেশটির অর্ধেকের বেশি অঞ্চল নিজেদের নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে। ২০১১ সালে শুরু হওয়া সরকার-বিদ্রোহীদের গৃহযুদ্ধে এ পর্যন্ত সাড়ে তিন লাখ লোক নিহত হয়েছে।