Search
Thursday 13 December 2018
  • :
  • :

মনোনয়নপত্র বাতিল হলো যাঁদের

মনোনয়নপত্র বাতিল হলো যাঁদের

ঢাকা, ৩ ডিসেম্বর : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র গতকাল রবিবার যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই-বাছাইয়ে যাদের মনোনয়ন বাতিল হলো:

সিলেটে ১৫

সিলেটের ৬টি আসনে মোট ১৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। সিলেট-১ আসনে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ প্রার্থী আনোয়ার উদ্দিনের মনোনয়ন বাতিল হয়। সিলেট-২ আসনে (বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগর) বাদ পড়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এনামুল হক সরদার, মুহিবুর রহমান ও মোহাম্মদ আব্দুর রব। সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা, বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ) আসনে কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী জুনায়েদ মোহাম্মদ মিয়া ও মো. আব্দুল ওদুদের মনোনয়ন বাতিল হয়। সিলেট-৪ (গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জৈন্তাপুর) আসনে জাতীয় পার্টির এম ইসমাইল আলীর মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়। সিলেট-৫ (কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ) আসনে বর্তমান সাংসদ জাতীয় পার্টির সেলিম উদ্দিন, এম এ মতিন (ইসলামী ঐক্যজোট), আহমদ আল ওয়ালী (স্বতন্ত্র), মাওলানা নূরুল আমিন (ইসলামী আন্দোলন) ও ফয়জুল মুনির চৌধুরীর (স্বতন্ত্র) মনোনয়ন বাদ পড়ে।

রাজশাহীতে ২৩

রাজশাহীতে যাদের প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে, রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক, জামায়াতের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, বাসদের আলফাজ হোসেন, স্বতন্ত্র শাহাদাত হোসেন, সালাহ উদ্দিন বিশ্বাস, সাইদুর রহমান, শহিদুল কবির শিবলী ও সুজা উদ্দিন; রাজশাহী-২ আসনে এনপিপির সাইফুল ইসলাম স্বপন ও স্বতন্ত্র মাসুদ রানা; রাজশাহী-৩ আসনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মেরাজ উদ্দিন মোল্লা ও বিএনপির বিকল্প প্রার্থী মতিউর রহমান মন্টু, জাতীয় পার্টি (এ) শাহাবউদ্দিন বাচ্চু, স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াত নেতা অধ্যাপক মাজিদুর রহমান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান; রাজশাহী-৪ আসনে বিএনপির বিকল্প প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল গফুর ও যুক্তফ্রন্টের সরদার সিরাজুল করিম; রাজশাহী-৫ পুঠিয়া-দুর্গাপুর আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ও সাবেক এমপি নাদিম মোস্তফা, যুবলীগ নেতা ওবাইদুর রহমান, বিএনপি নেতা আবু বকর সিদ্দিক ও ইসলামী আন্দোলনের রুহুল আমিন; রাজশাহী-৬ বাঘা-চারঘাট আসনে বিএনপির প্রার্থী ও চারঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাঈদ চাঁদ ও মুসলিম লীগের প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক।

রংপুরে ১৪

রংপুরের ৬টি আসনে ৬০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৪ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। রংপুরের জেলা প্রশাসক এনামুল হাবীব এ তথ্য জানান। বাতিলকৃতরা হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়া আওয়ামী লীগ নেতা আসাদুজ্জামান বাবলু, স্বতন্ত্র প্রার্থী সিএম সাদিক ও আলমগীর হোসেন। রংপুর-২ বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জ আসনে ২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বাতিলকৃতরা হলেন জাসদ প্রার্থী কুমারেশ চন্দ্র রায় ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বিশ্বনাথ বিষু। রংপুর-৩ সদর ও সিটি আসনে ২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বাতিলকৃতরা হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুল হক সরকার ওরফে ফুলু সরকার ও নাজমুল হক। রংপুর-৪ পীরগাছা ও কাউনিয়া আসনে ২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বাতিলকৃতরা হলেন জাতীয় পার্টির মোস্তফা সেলিম বেঙ্গল ও বিএনপির আমিনুল ইসলাম রাঙ্গা। রংপুর-৫ মিঠাপুকুর আসনে ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বাতিলকৃতরা হলেন বিএনপি থেকে শাহ্ সোলায়মান আলম ফকির, ডা. মমতাজ হোসেন, স্বতন্ত্র আব্দুল হালিম মণ্ডল ও মওদুদা আকতার দিনা। রংপুর-৬ পীরগঞ্জ আসনে ১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তিনি হলেন ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা বেলাল হোসেন।

খুলনায় চার

খুলনা জেলায় বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনাসহ চার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এছাড়া মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া অন্য তিন প্রার্থী হলেন- এসএম এরশাদুজ্জামান ডলার এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল কাদের ও সুব্রত কুমার বাইন।

বরিশালে নয়

বরিশাল জেলার ছয়টি সংসদীয় আসন থেকে দাখিল করা ৫২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্রের মধ্যে ৯ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তারা হলেন, বরিশাল ১ আসনে জাকের পার্টির প্রার্থী বাদশা মিয়া পৌরসভার কর ফাঁকি দেওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এ ছাড়াও বরিশাল-২ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী চিত্রনায়ক মাসুদ পারভেজ সোহেল রানার বিদ্যুত্ বিল বকেয়া থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। পাশাপাশি একই আসনে মৃত ভোটার সমর্থকের কারণে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত (স্বতন্ত্র) সৈয়দ রুবিনা আক্তার, ভোটার তথ্য খুঁজে না পাওয়ায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত (স্বতন্ত্র) প্রার্থী একে ফাইয়াজুল হক রাজু, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আনিচুজ্জামান, মৃত ভোটার সমর্থকের কারণে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত (স্বতন্ত্র) প্রার্থী ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন, হলফ নামায় সমর্থক ভোটার তালিকায় না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলম মিয়া, বরিশাল ৩ আসনে হলফ নামা অসম্পূর্ণ থাকায় বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী নুরুল ইসলাম এবং বরিশাল ৬ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ওসমান হোসেনের মনোনয়ন পত্রে ক্রমিক নম্বর না থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

দিনাজপুরে ১১

দিনাজপুরে ১১ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগের একজন, বিএনপি’র ৪ জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ৬ জন। তিনি জানান, দিনাজপুর-১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী রঞ্জিত মুরমু ও পারভেজ হোসেন, বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ হানিফ এবং বিএনপি প্রার্থী মামুনুর রশিদ চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। দিনাজপুর-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মানবেন্দ্র রায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোকাররম হোসেন, দিনাজপুর-৩ আসন থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করায় বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রাইসুল ইসলাম, দিনাজপুর-৪ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউসুফ আলী এবং দিনাজপুর-৬ আসন থেকে বিএনপি প্রার্থী শাহিনুর ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

ময়মনসিংহে ৩৫

ময়মনসিংহের ১১টি জাতীয় সংসদীয় আসনের দাখিলকৃত ১১৬ মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৩৫টি বাতিল হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস জানান, বাতিলকৃত প্রার্থীরা হচ্ছেন ময়মনসিংহ-১ হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া আসনে আ’লীগ বিদ্রোহী আনোয়ার হোসেন, ময়মনসিংহ-২ ফুলপুর-তারাকান্দা আসনে বিএনপির আবুল বাশার আকন্দ, জাতীয় পার্টির এমদাদুল হক ও স্বতন্ত্র আবু বকর সিদ্দিক, ময়মনসিংহ-৩ গৌরীপুর আসনে বিএনপির তায়েবুর রহমান, আ’লীগ বিদ্রোহী ৯ জন-এরা হচ্ছেন মোর্শেদুল আলম, ডা. মতিউর রহমান, নাজনীন আলম, আলী আহমেদ খান পাঠান সেলভি, অধ্যক্ষ আব্দুর রফিক, ড. সামিউল আলম লিটন, গোলাম মোস্তফা ভিপি বাবুল, আব্দুল মতিন, শরীফ হাসান অনু, ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনের বিএনপির অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, কামরুল ইসলাম মো. ওয়ালিদ, মুসলীম লীগের আবু সাইদ মহিউদ্দিন, ময়মনসিংহ-৫ আসনের জহিরুল ইসলাম স্বতন্ত্র, সোহেল মিয়া কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ও আমজাদ হোসেন খেলাফত মজলিস, ময়মনসিংহ-৬ ফুলবাড়িয়া আসনে জেএসডির চৌধুরী মোহাম্মদ ইশহাক, ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল আসনে বিএনপির জয়নাল আবেদীন, আব্দুর রাজ্জাক খান স্বতন্ত্র, ময়মনসিংহ-৮ ঈশ্বরগঞ্জ আসনে বিএনপির রুহুল আমিন মাস্টার, এলডিপির এমএ বাসার, আ’লীগ বিদ্রোহী মাহমুদ হাসান সুমন ও ইসলামী আন্দোলনের হাবিবুল্লাহ, ময়মনসিংহ-৯ নান্দাইল আসনে আব্দুল কাদির স্বতন্ত্র, সাইফুল্লাহ স্বতন্ত্র ও আলমগীর কবির, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, ময়মনসিংহ-১০ গফরগাঁও আসনে আ’লীগ বিদ্রোহী আনোয়ার বুলবুল, জাতীয় পার্টির হাবিবুল্লাহ বেলালী ও মজিবুর রহমান এবং ময়মনসিংহ-১১ আসনে স্বতন্ত্র আশরাফুল হক জর্জ ও ইসলামী আন্দোলন আমান উল্লাহ সরকার।

বগুড়ায় ২৫

বগুড়া-১ আসেন আলহাজ টিপু সুলতান (স্বতন্ত্র), ইউনুছ আলী (স্বতন্ত্র)। বগুড়া-২-এ আবুল কাশেম ফকির (স্বতন্ত্র), মোস্তাফিজার রহমান মোস্তা (আওয়ামী লীগ)। বগুড়া-৩-এ তাজ উদ্দিন মন্ডল (স্বতন্ত্র), আব্দুল মুহিত তালুকদার (বিএনপি)। বগুড়া-৪-এ অধ্যাপক জাহিদুর রহমান (স্বতন্ত্র), আহসানুল হক (আ.লীগ), আশরাফুল আলম হিরো আলম (স্বতন্ত্র), ইউনুছ আলী মন্ডল (স্বতন্ত্র), কামাল উদ্দিন কবিরাজ (আওয়ামী লীগ), জামায়াত নেতা মাওলানা তায়েব আলী (স্বতন্ত্র)। বগুড়া-৫-এ তহমিনা জামান হিমিকা (স্বতন্ত্র), মাহবুব আলী (বিকল্পধারা), জামায়াত নেতা দবিবুর রহমান (স্বতন্ত্র)। বগুড়া-৬-এ বেগম খালেদা জিয়া (বিএনপি), অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবর রহমান (বিএনপি), ফয়সাল বিন শফিক (জাকের পার্টি)। বগুড়া-৭-এ বেগম খালেদা জিয়া (বিএনপি), ডা. মোস্তফা আলম নান্নু (আওয়ামী লীগ), মোরশেদ মিলটন (বিএনপি), সরকার বাদল (বিএনপি), ফেরদৌস আরা খান (স্বতন্ত্র), রেজাউল করিম বাবলু (স্বতন্ত্র), আব্দুর রাজ্জাক (জাসদ)।

পাবনায় চার

পাবনার ৫টি আসনের ৪২ প্রার্থীর মধ্যে চারজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তারা হলেন, পাবনা-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. সালাউদ্দিন খান, পাবনা-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাসানুল ইসলাম, বিএনপি প্রার্থী ও সদ্য উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করা মো. হাসাদুল ইসলাম হীরা এবং পাবনা-৫ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত অন্দোলন প্রার্থী ডা. ইসমাইল হোসেন।

সুনামগঞ্জে ১১

যাচাই-বাছাই শেষে সুনামগঞ্জের ৫টি আসনের ১১জন প্রার্থীর মনোনয়ন প্রাথমিকভাবে বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির চারজন। যাদের প্রার্থীতা বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন, সুনামগঞ্জ-১ একেএম ওহিদুল ইসলাম কবির(জাসদ), আমান উল্লাহ আমান(জাকের পার্টি,) কামরুজ্জামান কামরুল(বিএনপি)। সুনামগঞ্জ-২ আসনে রুহুল আমিন(জাপা)। সুনামগঞ্জ-৩ আসন রফিকুল ইসলাম খসরু(স্বতন্ত্র), আব্দুছ সাত্তার(বিএনপি), আশরাফুল হক সুমন (বিএনপি), সৈয়দ শাহ মুবশ্বির আলী (বাংলাদেশ মুসলিম লীগ)। সুনামগঞ্জ-৪ আসনে দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন(বিএনপি) ও রাজু আহমদ (স্বতন্ত্র)। এছাড়া সুনামগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন মিলনের মনোনয়নের বিষয়টি এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিশ্চিত করা যায়নি।

গাইবান্ধায় ১৬

গাইবান্ধার পাঁচটি আসনে ৬৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৬ জনের মনোনয়নপত্র বিভিন্ন কারণে বাতিল হয়েছে। তার মধ্যে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ছয়টি, গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে তিনটি, গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে পাঁচটি, গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে একটি ও গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে একটি। গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক সরকারের, স্বতন্ত্র প্রার্থী এ.বি.এম মিজানুর রহমান, জয়নাল আবেদিন (সাদা), মোঃ আব্দুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফরুজা বারী ও এমদাদুল হক নাদিমের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী একেএম রেজাউল কবীর, মোঃ মকদুবর রহমান সরকার ও মোঃ ওয়াহেদ মুরাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে জাপা (এ) প্রার্থী মনজুরুল হক সাচ্চার, জেলা বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী তৌফিকুল আমিন মন্ডল টিটু, আমিনুল ইসলাম দুদু ও আবু জাফর মোঃ জাহিদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির ডা. আব্দুর রহিম সরকারের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে বাতিল হয় বিএনপি নেতা নাজেমুল ইসলাম প্রধানের মনোনয়ন।

মাগুরায় চার

যাচাই-বাছাইয়ে মাগুরার দুটি আসনে চারজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এরা হলেন, মাগুরা-১ আসনে ডা: মিজানুর রহমান (গণফোরাম), কুতুবউল্লাহ মিয়া কুটি (স্বতন্ত্র), অ্যাড: কাজী রেজাউল হোসেন (স্বতন্ত্র) এবং মাগুরা-২ আসনে বিএনপির মেহেদী আল মাসুদ।

কুড়িগ্রামে ১৯

কুড়িগ্রামে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারসহ ১৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। কুড়িগ্রাম-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমরান এইচ সরকার ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো: জাকির হোসেন, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের বিএনপির আব্দুল খালেকসহ ১৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

সাতক্ষীরায় সাত

সাতক্ষীরায় চারটি সংসদীয় আসনে ৩৮ জন প্রার্থীর মধ্যে বাছাই শেষে সাতজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। সাতক্ষীরা-১ আসনে পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। তারা হলেন- আওয়ামী লীগের বিএম নজরুল ইসলাম ও বিশ্বজিত সাধু, স্বতন্ত্র প্রার্থী এস.এম মুজিবুর রহমান ও নুরুল ইসলাম এবং ন্যাপের মোঃ হায়দার আলীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। সাতক্ষীরা-২ আসনে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে জে.এস.ডি মনোনীত প্রার্থী আফসার আলীর। সাতক্ষীরা-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী খলিলুর রহমানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

মেহেরপুরে ১০

মেহেপুরের দুটি আসনে ১০ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। মেহেরপুর-১ (সদর ও মুজিবনগর) আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাড. মিয়াজান আলী, সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য প্রফেসর আব্দুল মান্নান, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. ইয়ারুল ইসলাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান ও কেন্দ্রীয় শ্রমিক কল্যাণ লীগের সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমানের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক, আওয়ামী লীগ নেতা আহমেদ আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোখলেসুর রহমান মুকুল, জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নুরজাহান বেগম ও জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম সাজ্জাদ লিখনের।

মানিকগঞ্জে আট

মানিকগঞ্জে আটজনের মনোয়নপত্র বাতিল হয়েছে। মানিকগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এছাড়া এই আসনে জাকির পার্টির প্রার্থী আতাউর রহমানের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। মানিকগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঈনুল ইসলাম খান ও সিংগাইর উপজেলা চেয়ারম্যান আবিদুর রহমান রোমানের মনোনয়ন বাতিল হয়। একই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী এসএম আব্দুল মান্নান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশারফ হোসেন ও মাসুম মিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রাথী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

মাদারীপুরে সাত

মাদারীপুর জেলার ১৭ মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৭টি বাতিল করা হয়েছে। মাদারীপুর-১ আসনের (শিবচর) নাদিরা আক্তার (বিএনপি), জহিরুল ইসলাম (জাতীয় পার্টি), মোঃ শাহ নেওয়াজ (জাকের পার্টি) ও হাজেফ মোঃ জাফর আহমেদ (ইসলামী আন্দোলন), মাদারীপুর-২ আসনের (রাজৈর-মাদারীপুর) আল আমীন মোল্লা (স্বতন্ত্র) ও আঃ কাদের মোল্লা (স্বতন্ত্র)। মাদারীপুর-৩ (কালকিনি-মাদারীপুর) আসনে মোঃ আব্দুল খালেকের (জাতীয় পার্টি) মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।

গোপালগঞ্জে তিন

গোপালগঞ্জে ৩টি সংসদীয় আসন থেকে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে বাদ পড়েছেন তিন প্রার্থী। গোপালগঞ্জ-১ আসন থেকে বাদ পড়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী শামছুল আলম খান চৌধুরী। গোপালগঞ্জ-৩ আসন থেকে বাদ পড়েছেন বিএনপির এস এম জিলানী ও জাতীয় পার্টির এ জেড অপু শেখ।

নওগাঁয় নয়

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বাতিলকৃতরা হলেন— নওগাঁ-১ আসনের আবু হেনা মোস্তফা কামাল (এলডিপি/বিকল্পধারা), নওগাঁ-২ আসনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সম্পাদক ড. ইঞ্জিনিয়ার আখতারুল আলম (আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র), আব্দুর রউফ মান্নান (বিকল্পধারা), মতিবুল ইসলাম (স্বতন্ত্র), নওগাঁ-৪ আসনে আব্দুর রাকিব (স্বতন্ত্র) ও আফজাল হোসেন (স্বতন্ত্র), নওগাঁ-৫ আসনে নওগাঁ পৌরসভা মেয়র নজমুল হক সনি (বিএনপি) ও ইফতারুল আলম বকুল (জাপা) এবং নওগাঁ-৬ আসনে আনোয়ার হোসেন হেলাল (স্বতন্ত্র)। এছাড়া নওগাঁ-৪ আসন থেকে জেলা আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল বাকী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন।

ঝালকাঠিতে সাত

যাচাই-বাছাইতে ঝালকাঠির দুইটি আসনে ২১ প্রার্থীর মধ্যে সাতজনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এরা হলেন, ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর কাঠালিয়া) আসনের আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুজ্জামান মনির ও ইয়াসমিন আক্তার পপি, স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজালাল শামিম, নজরুল ইসলাম, ফয়জুল হক ও দেলোয়ার হোসেন। ঝালকাঠি-২ (ঝালকাঠি-নলছিটি) আসনের গণফোরামের প্রার্থী জাহানশাহ পারভেজের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।

কুষ্টিয়ায় নয়

কুষ্টিয়ার চারটি আসনে যাচাই-বাছাইকালে নয়জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বাতিলকৃতরা হলেন, কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সাবেক এমপি আফাজ উদ্দিন আহমেদ। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ, বাদল) এর প্রার্থী রেজাউল হক মুসলিম লীগ প্রার্থী আব্দুল খালেক সরকার এর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। অন্যদিকে কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা জামায়াতের আমির আবদুল গফুর ও বশির আহমেদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান এমপি আব্দুর রউফের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। অন্যদিকে একই আসন থেকে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী মেহেদী হাসান, জাকের পার্টির তসির উদ্দিন ও সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ প্রার্থী রোকনুজ্জামান রোকনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

বাগেরহাটে তিন

বাগেরহাটের চারটি আসনে তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তারা হলেন, বাগেরহাট-১ আসনে জাতীয় পার্টির এসএম আল জোবায়ের, বাগেরহাট-২ আসনে জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান, বাগেরহাট-৪ আসনে ন্যাশনালস পিপলস পার্টি (এনপিপি)-র মোঃ আমিনুল ইসলাম খান।

মৌলভীবাজারে পাঁচ

মৌলভীবাজারের চারটি আসনে ২৮ জনের মধ্যে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে পাঁচ প্রার্থীর। যারা বাদ পড়লেন: মৌলভীবাজার-১ আসনে বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত (স্বতন্ত্র) প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম। মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে মুহিবুল কাদের জাপা (এরশাদ)। মৌলভীবাজার-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর মছব্বির এশাদ ও জি,এনডিএফ প্রার্থী আশা রানী বিশ্বাস।

নেত্রকোনায় ১২

নেত্রকোনার ৫টি আসনের মধ্যে ৪টি আসন থেকে ১২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। নেত্রকোনা-১ আসনে যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, তারা হলেন এরশাদুর রহমান (আওয়ামী লীগ), মোঃ নজরুল ইসলাম (মুসলিম লীগ), আব্দুল কাইয়ূম খান (খেলাফত মজলিশ), এমএ করিম আব্বাসী (এলডিপি), মোস্তফা জামান আব্বাস (জাকের পার্টি) এবং শাহ কুতুব উদ্দিন রয়েল (স্বতন্ত্র)। নেত্রকোনা-২ আসনে বাতিল হয়েছে রহিমা আক্তার আসমা (জাপা) এবং এজাজুল হক (স্বতন্ত্র)। নেত্রকোনা-৪ আসনে বাতিল হয়েছে শফি আহমেদ (স্বতন্ত্র)। নেত্রকোনা-৫ আসনে রাবেয়া আলী (বিএনপি), আবু তাহের তালুকদার (বিএনপি) এবং মোঃ জাকির হোসেন (স্বতন্ত্র)।

লক্ষ্মীপুরে ছয়

লক্ষ্মীপুরে এমপি আউয়ালসহ ছয়জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তারা হলেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের বর্তমান এমপি লায়ন এম এ আউয়াল (জাকের পার্টি), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহবুব আলম। লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের খালেদ সাইফুল্যাহ (ইসলামী আন্দোলন), আব্দুল মতিন (স্বতন্ত্র)। লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর) আসনে জেলা জামায়াতের আমীর রুহুল আমিন ভূঁইয়া (স্বতন্ত্র) ও আবুল ফয়েজ ভূঁইয়া (স্বতন্ত্র)। এছাড়া হলফনামা অনুযায়ী সমপূর্ণ তথ্য দিতে না পারায় লক্ষ্মীপুর-২ আসনে সৈয়দ বেলায়ত হোসেন বেলাল (জেএসডি), শাহ আহমদ বাদল (গণফোরাম) ও হেলাল উদ্দিনের (ইসলামী ফ্রন্ট) মনোনয়নপত্র সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কুমিল্লায় ৩৬

কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসন থেকে কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) ছাড়া ১০টি আসনের মোট ৩৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা-১ তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তারা হলেন, মো. আলতাফ হোসাইন ইসলামী ঐক্যজোট, বাশির আহমেদ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সৈয়দ ইফতেকার আহসান (জাতীয় পার্টি)। কুমিল্লা-২ হোমনা-তিতাস আসনে ১৪ জনের মধ্যে মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে ৫ জনের। তারা হলেন, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পাওয়া তিতাস উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবদুল মজিদ, মো. মনোয়ার হোসেন স্বতন্ত্র, মো. রবিউল ইসলাম স্বতন্ত্র, বড়ুয়া মনোজিত ধীমন জাসদ, মো. সারোয়ার হোসেন স্বতন্ত্র। কুমিল্লা-৩ মুরাদনগর আসনে ১০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তারা হলেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সরকার স্বতন্ত্র ও তার ছেলে আহসানুল আলম কিশোর স্বতন্ত্র, বিএনপির প্রার্থী কেএম মজিবুল হক, মো. নজরুল ইসলাম এনপিপি, সৈয়দ মোস্তাক আহমেদ (বাংলাদেশ মুসলিম লীগ), কাজী জুন্নুন বসরী (স্বতন্ত্র), মোহাম্মদ আনিসুর রহমান (জাগপা), মো. দেলোয়ার হোসেন (স্বতন্ত্র), মো. গোলাম কিবরিয়া (স্বতন্ত্র), মো. আকবর আমিন বাবুল (গণফোরাম)। কুমিল্লা-৪ দেবিদ্বার আসনে পাঁচজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, তারা হলেন, আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নবঞ্চিত মো. আবুল কালাম আজাদ (স্বতন্ত্র), মো. রুহুল আমিন (স্বতন্ত্র), রেজভিউল আহসান মুন্সী (স্বতন্ত্র), ইরফানুল হক সরকার (স্বতন্ত্র), মো. মাহবুবুল আলম (স্বতন্ত্র)। কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে চারজনের বাতিল হয়েছেন, বিএনপির প্রার্থী সাবেক এমপি মো. ইউনুস, মো. আবুল কালাম ইদ্রিস (স্বতন্ত্র), শেখ আবদুল বাতেন (গণফোরাম), মো. শাহ আলম (ইসলামী ঐক্যজোট)। কুমিল্লা-৬ আদর্শ সদর ও সিটি করপোরেশন এলাকায় একজন বাতিল হয়েছেন বিএনপির সৈয়দ গোলাম মহিউদ্দিন। কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে ১২ জনের মধ্যে কোনো প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়নি। কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে কায়সার আলম সেলিমের (স্বতন্ত্র) মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়, তারা হলেন, মো. ইসমাইল (স্বতন্ত্র), মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ (স্বতন্ত্র), এ.এফ.এম সোলায়মান চৌধুরী (স্বতন্ত্র)। কুমিল্লা-১০ (সদর দক্ষিণ, লালমাই ও নাঙ্গলকোট) আসনে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তারা হলেন, বিএনপির প্রার্থী মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়া, মো. আবুল কালাম আজাদ (বাংলাদেশ মুসলীম লীগ), মো. রুহুল আমিন চৌধুরী (স্বতন্ত্র)। কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে ৮ প্রার্থীর মধ্যে মো. তাজুল ইসলাম বাবুলের (জাকের পার্টি) মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

খাগড়াছড়িতে পাঁচ

বিএনপি মনোনীত আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া, আওয়ামী লীগের দুই বিদ্রোহী প্রার্থী ও ইউপিডিএফ সমর্থিত দুইজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। মনোনয়ন বাতিল হওয়া ব্যক্তিরা হলেন জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য যতীন্দ্র লাল ত্রিপুরা, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সমীর দত্ত চাকমা, ইউপিডিএফের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব চাকমা ও নতুন কুমার চাকমা।

ঝিনাইদহে ১৪

ঝিনাইদহের চারটি আসনে ১৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তারা হলেন- ঝিনাইদহ-১ আসনে আব্দুল ওহাব (বিএনপি) ও আবু বকর (স্বতন্ত্র), ঝিনাইদহ-২ আসনে মসিউর রহমান (বিএনপি), আব্দুল মজিদ (বিএনপি), আবু তালেব সেলিম (জাকের পার্টি), ইউসুফ পারভেজ (স্বতন্ত্র), মীর রবিউল ইসলাম (স্বতন্ত্র), ঝিনাইদহ-৩ আসনে ইসমাইল হোসেন (বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি), কামরুজ্জামান স্বাধীন (জাতীয় পার্টি), ঝিনাইদহ-৪ আসনে ফনি ভূষণ রায় (সিপিবি), মো: ওয়াদুদুর রহমান (বিএনএফ), কামরুল ইসলাম (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি), জহুরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র) ও আব্দুল মান্নান (আওয়ামী লীগ)।

লালমনিরহাটে পাঁচ

লালমনিরহাট জেলার ৩টি আসনে ২৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র বাছাই করে ৫টি মনোনয়ন বাতিল করা হয়। লালমনিরহাট-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু হেনা মোঃ এরশাদ হোসেন ও হাবিব মোঃ ফারুকের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। লালমনিরহাট-২ আসন থেকে বিএনপি প্রার্থী ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের, লালমনিরহাট-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহাবুব আলম মিঠু ও শামীম আহম্মেদ চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

পঞ্চগড়ে দুই

পঞ্চগড়ের দুটি আসনে দুইজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। পঞ্চগড়-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী পৌর মেয়র তৌহিদুল ইসলাম এবং পঞ্চগড়-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী ফরহাদ হোসেন আজাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। দুইজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করায় ১৫ জন প্রার্থীকে বৈধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

নড়াইলে আট

নড়াইল-১ আসন থেকে ৩ জন এবং নড়াইল-২ আসন থেকে ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। জেলা রিটার্নিং অফিসসূত্রে জানা গেছে, নড়াইল-২ আসনের সাবেক এমপি বিএনপির মনোনীত মুফতি শহিদুল ইসলামসহ অন্যরা হলেন নড়াইল-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সিকদার মো. শাহাদত হোসেন দুলু, অবসরপ্রাপ্ত লে. কমান্ডার ওমর আলী ও প্রকৌশলী শেখ মিজানুর রহমান এবং নড়াইল-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুফতি তালহা ইসলাম, ফকির শওকত আলী, মো. জামাল উদ্দীন ও মো. মনির হোসাইন।

যশোরে ২৬

যশোরের ৬টি সংসদীয় আসনে ২৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। যশোর-১ শার্শা আসনে স্বতন্ত্র (জামায়াত) আজিজুর রহমানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে এবং জাকের পার্টির সাজেদুর রহমান ডাবলুর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। যশোর-২ ঝিকরগাছা-চৌগাছা আসনে বিএনপি মনোনীত সাবিরা সুলতানা, আওয়ামী লীগ নেতা এ বি এম আহসানুল হক আহসান, জাতীয় পার্টির মুফতি ফিরোজ শাহের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়াও, জাকের পার্টির হাজী মহিদুল ইসলাম, ইসলামী ঐক্যজোটের মুহাদ্দিস শহিদুল ইসলাম ইনসাফী, বিএনএফ’র আবদুল্লাহ আল মাসউদ, গণফোরামের এম আছাদুজ্জামানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। যশোর-৩ সদর আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এই আসনে ইসলামী আন্দোলনের মফিজুল আলম, বিএনএফ’র প্রশান্ত বিশ্বাস, জেএসডি’র সৈয়দ বিপ্লব আজাদ, বিকল্পধারা বাংলাদেশের মারুফ হাসান কাজলের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। যশোর-৪ বাঘারপাড়া ও অভয়নগর উপজেলা এবং বসুন্দিয়া ইউনিয়ন আসনে ঋণখেলাপির দায়ে বিকল্পধারা বাংলাদেশের এম নাজিম উদ্দিন আল আজাদের মনোনয়নপত্র বাতিল। এ ছাড়াও, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. আলী জিন্নাহ, জাকের পার্টির লিটন মোল্লার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। যশোর-৫ মণিরামপুর আসনে আওয়ামী লীগ নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল ইসলাম বারী স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এ ছাড়াও, বিএনপির দলীয় মনোনয়ন না থাকায় মোহাম্মদ মুসা, জাকের পার্টির রবিউল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের ইবাদুল ইসলাম খালাসী, জাগপা’র নিজাম উদ্দিন অমিতের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। যশোর-৬ কেশবপুর আসনে আয়কর না দেওয়ায় জাকের পার্টির সাইদুজ্জামান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার। এ ছাড়াও, স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল ইসলাম ও বিএনএফ’র প্রশান্ত বিশ্বাসের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাঁচ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে ৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তাদের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১, শিবগঞ্জ আসনে (স্বতন্ত্র) প্রার্থী নবাব মো. শামসুল হোদা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২, গোমস্তাপুর-ভোলাহাট-নাচোল আসনে (আওয়ামী লীগ) গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস এমপি ও মো. খুরশিদ আলম বাচ্চু, (জামায়াত) মো. ইয়াহিয়া, মো. তৈয়ব আলীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

চুয়াডাঙ্গার চার

চুয়াডাঙ্গায় চার মনোনয়নপত্র বাতিল প্রার্থীরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জাকের পার্টির আলমাছ হোসেন ও মুসলীম লীগের প্রার্থী মেরিনা আক্তার। চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুহুল আমিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নুর হাকিম।

শেরপুরে সাত

শেরপুরে যাচাই-বাছাই শেষে ৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে শেরপুর-১ সদর আসনে জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হজরত আলী, অপর দুই বিএনপি প্রার্থী ফজলুল কাদের ও মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। শেরপুর-২ নকলা-নালিতাবাড়ী আসনে ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে নালিতাবাড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান এ.কে.এম মুখলেছুর রহমান রিপনের (বিএনপি) মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। শেরপুর-৩ শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী আসনে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। তারা হলেন, আবুবকর সিদ্দিক (পিডিপি), সরোয়ার বাহাদুর লাল (স্বতন্ত্র) ও মো. ইন্তাজ আলী বিএসসি (স্বতন্ত্র)।

জামালপুরে আট

জামালপুর জেলায় যাচাই-বাছাই শেষে ৮জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেছেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন, জামালপুর-১ দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ আসনের বিএনপি প্রার্থী সাবেক এমপি এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, জামালপুর-৪ সরিষাবাড়ী আসনের বিএনপির একক প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি মো.ফরিদুল কবীর তালুকদার-শামীম, জামালপুর-৩ মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ আসনে গণফোরামের প্রার্থী নঈম জাহাঙ্গীর, একই আসনে বিকল্পধারার প্রার্থী মো. মাসুম বিল্লাহ ও (স্বতন্ত্র) প্রার্থী মো.শফিকুল ইসলাম, জামালপুর-৪ সরিষাবাড়ী আসনের জাতীয় পার্টির বর্তমান এমপি মো. মামুনুর রশিদ, জামালপুর-৫ সদর আসনের আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী কাজি মো. নজরুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।

পটুয়াখালীতে ১১

পটুয়াখালী -১ আসনে প্রার্থী জাতীয় পার্টির প্রার্থী দলের মহাসচিব (জাপা) এ,বি,এম রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়ন পত্র বাতিল হয়েছে। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম মৃধা, জাকের পার্টি মনোনীত প্রার্থী আব্দুর রশিদ, এনপিপি মনোনীত প্রার্থী মো. সুমন সন্যামত এবং বাংলাদেশ মুসলিমলীগ মনোনীত প্রার্থী খবির উদ্দিন রেজা হাওলাদারের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। পটুয়াখালী-২ আসন থেকে ১০ জনের মধ্যে ৪ জনের মনোনয়পত্র বাতিল করা হয়েছে। এরা হচ্ছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শহিদুল ইসলাম তালুকদার, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ শফিকুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান খান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু নাইম মল্লিকের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এছাড়াও পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী গোলাম মাওলা রনির হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় তার মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়। এ ছাড়া বিএনপি মনোনীত অপর প্রার্থী মোঃ শাহজাহান খান ঋণ খেলাপী হওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

মাদারীপুরে সাত

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের সাতটি বাতিল করা হয়েছে। অস্পূর্ণ ও প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকায় মাদারীপুর জেলার ১৭ মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৭টি মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। মাদারীপুর-১ আসনের (শিবচর) নাদিরা আক্তার (বিএনপি), জহিরুল ইসলাম (জাতীয় পার্টি), মো. শহনেওয়াজ (জাকের পার্টি) ও হাজেফ মো. জাফর আহমেদ (ইসলামী আন্দোলন), মাদারীপুর-২ আসনের (রাজৈর-মাদারীপুর) আলআমীন মোল্লা (স্বতন্ত্র) ও আ. কাদের মোল্লা (স্বতন্ত্র)। মাদারীপুর-৩ (কালকিনি-মাদারীপুর) আসনে মো. আব্দুল খালেক (জাতীয় পর্টি)।

নাটোরে ছয়

নাটোর ৪টি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করেন নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে সাম্যবাদী দলের বীরেন্দ্রনাথ সাহার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনে ১টি বাতিল ঘোষণা করা প্রার্থী হলেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভূমি উপ-মন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির উত্তরাঞ্চলীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। অপরদিকে নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) আসনে ৪টি বাতিল ঘোষণা করা হয়। বাতিলকৃতরা হলেন— মুসলীমলীগের শান্তি রিবেরু, জাতীয় পার্টির আলাউদ্দিন মৃধা, জাসদ (ইনু) দলের ডি এম রনি পারভেজ, স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াতের দেলোয়ার হোসেন খান।

জামালপুরে দুই

জামালপুর-৪ আসনে সাতজন প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজনকে বৈধ এবং দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বতিলকৃতরা হলেন: জামালপুর-৪ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ; বিএনপির প্রার্থী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৪০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনে যাচা্ই বাছাইয়ে ৪০ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তন্মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে (নাসিরনগরে) দুইজন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে ১১ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে ১০জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) পাঁচজন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) ছয়জন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে ছয়জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।

ফেনীতে ছয়

ফেনী-১ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ফেনী- ৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী মোঃ আবদুল লতিফ জনীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এছাড়াও ৩টি আসনে মোট ২৭ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। বাতিলকৃতদের মধ্যে ফেনী-১ আসনে তিনজন। তার মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও বিএনপির প্রার্থী নূর আহাম্মদ মজুমদার এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশার চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল হয়। ফেনী-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী মোঃ আবদুল লতিফ জনি, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান আহাম্মদ ও আনোয়ারুল কবিরের (রিন্টু আনোয়ার) মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।

চাঁদপুরে আট

চাঁদপুরে ৫১ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ এবং আটজনের বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। ২৬০ চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার মোশারফ হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। ২৬১ চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও দক্ষিণ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী খায়রুল হাসানের মনোনয়ন বাতিল হয়। ২৬৩ চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বিএনপির লায়ন হারুনুর রশিদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ, আবু জাফর মো. ছালেহর ও বিএনপি প্রার্থী রিয়াজ উদ্দিন নসুর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। ২৬৪ চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি) আসনে এলডিপি প্রার্থী নেয়ামুল বশির, জাতীয় পার্টির খোরশেদ আলম খুশুর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।

হবিগঞ্জে ১২

হবিগঞ্জের ৪টি আসনে ৩৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তারা হচ্ছেন- হবিগঞ্জ-১ আসনে ড. রেজা কিবরিয়া (গণফোরাম), বর্তমান সংরক্ষিত এমপি আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী (স্বতন্ত্র), আবু হানিফ আহমদ হোসেন (ইসলামী আন্দোলন), বদরুর রেজা সেলিম (ইসলামীক ফ্রন্ট) ও জুবায়ের আহমদ (বাংলাদেশ ইসলামীক ফ্রন্ট) এবং আব্দুল হান্নান (স্বতন্ত্র)। হবিগঞ্জ-২ আসনে মোঃ জাকির হোসেন (বিএনপি)। হবিগঞ্জ-৩ আসনে মাওলানা আতাউর রহমান (ইসলামী ঐক্যজোট), মোঃ আব্দুল কাদির (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি)। হবিগঞ্জ-৪ আসনে মোঃ আনছারুল হক (জাকের পার্টি), মোঃ আব্দুল মমিন (ইসলামীক ফ্রন্ট) ও মাওলানা মোঃ সুলায়মান খান রাব্বানী (বাংলাদেশ ইসলামীক ফ্রন্ট)।

জয়পুরহাটে দুই

জেলার ২টি আসনে জমা দেওয়া ১৬টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে দুটি বাতিল হয়েছে। বাদ পড়া প্রার্থীরা হলেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী আলেয়া খাতুন এবং বিএনপি দলীয় প্রার্থী সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান।

নরসিংদীতে সাত

নরসিংদীর পাঁচটি আসনে মোট ৭ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে মোট ৪০ জনের মনোনয়নপত্র। নরসিংদী-১ (সদর) আসনে ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা মোঃ ইসহাকের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। নরসিংদী-২ (পলাশ ও সদরের একাংশ) আসনে জাসদের প্রার্থী জায়েদুল কবির, স্বতন্ত্র প্রার্থী আলতামাশ কবির, ইঞ্জিনিয়ার মহসিন আলী, বিকল্প ধারা বাংলাদেশের প্রার্থী অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ দুলাল মিয়ার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী অহিদুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল হয়।

ফরিদপুরে ২১

ফরিদপুর জেলার মোট ৪টি আসনের মোট ২১ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। ফরিদপুর-১ আসনে ৫ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। তারা হলেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুন্নাহার ও লিটন মৃধা, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের প্রার্থী মোঃ কামরুল ইসলাম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের হারুন অর রশীদ ও জাতীয় পার্টি (এরশাদ) এর মনোনীত প্রার্থী আখতারুজ্জামান খান। ফরিদপুর-২ আসনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মোঃ হাফিজুর রহমান হাফিজ। ফরিদপুর-৩ আসনে বাতিল হয়েছে ৫ জনের মনোনয়ন। তারা হলেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএ মুহিত খান আরিফ, মোঃ রুহুল আমীন, মীর নিজাম, মোঃ বনি আমিন ও মোঃ ওবায়দুর রহমান এর মনোনয়ন। ফরিদপুর-৪ আসনে ১০ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।তারা হলেন- বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী আতাউর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোঃ হামিদ মিয়া। জাকের পার্টির মোঃ মশিউর রহমান যাদু মিয়া ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আঃ লতিফ মিয়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজ কবীর চৌধুরী, কাজী হেদায়েতুল্লাহ, শাহ মোঃ আবুল কালাম, মোঃ ইছাহাক মিয়া, এনামুল হক ও কাজী জাফরের মনোনয়ন বাতিল হয়।

ভোলায় তিন

ভোলা-১, ২ ও ৪ আসনের ৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এরা হচ্ছেন— ভোলা-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী আলমগীর, ভোলা-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হুমায়ুন কবির সেলিম ও ভোলা-৪ আসনের জাতীয় পার্টির এম এ মান্নান।

বরগুনায় তিন

বরগুনা-১ ও ২ আসনে ১৯ জনের দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের মধ্যে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল এবং ১৬ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা দিয়েছেন রিটার্নিং অফিসার। বরগুনা-১ (বরগুনা সদর-আমতলী-তালতলী) আসনে বিএনপি প্রার্থী মোঃ মতিউর রহমান তালুকদারের মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়েছে। বরগুনা-২ (বেতাগী-বামনা ও পাথরঘাটা) আসনে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মিজানুর রহমান ও গণতান্ত্রিক দলের মোঃ সালাউদ্দিনের মনোনয়ন বাতিল হয়।

কিশোরগঞ্জে ২১

জেলার ৬টি আসনে মোট ২১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল এবং বাকী ৩৪ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তারা হলেন— কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর) আসনে বিএনপির মোঃ শরীফুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির মোঃ মোস্তাইন বিল্লাহ, বিএনপির খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, বিকল্পধারা বাংলাদেশের মোহাম্মদ ইউসুফ ও জেএসডির মুহাঃ আব্দুর রহমান অ্যাডভোকেট। এই আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৮। কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া) আসনে সিপিবির নূরুল ইসলাম, স্বতন্ত্র মোঃ আনিসুজ্জামান খোকন, বিএনপির মোঃ আখতারুজ্জামান, জাতীয় পার্টির এরশাদ হোসাইন, জেএসডির মোঃ লুত্ফুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোঃ সালাউদ্দিন রুবেল ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মীর আবু তৈয়ব মোঃ রেজাউল করীম। এই আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৩। কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে বাতিলকৃতরা হলেন— সিপিবির ডা: এনামুল হক ইদ্রিস, বিএনপির সাইফুল ইসলাম সুমন, স্বতন্ত্র অধ্যক্ষ মোঃ আম্মান খান, স্বতন্ত্র ড: মিজানুল হক ও স্বতন্ত্র মোঃ মনিরুজ্জামান নয়ন। এই আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৬। কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা, অষ্টগ্রাম ও মিঠামইন) আসনে বাতিলকৃতরা হলেন— বিএনপির সুরঞ্জন ঘোষ। এই আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৪। কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী ও বাজিতপুর) আসনে বাতিলকৃতরা হলেন— জাসদের সেলিনা সুলতানা। এই আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৯। কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব ও কুলিয়ারচর) আসনে বাতিলকৃতরা হলেন— ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ মুছা খান ও স্বতন্ত্র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আয়ূব হোসেন। এই আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৪।

নোয়াখালীতে ১১

নোয়াখালীতে বিএনপির এক প্রার্থীসহ ১১ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজাহিদ হোসেন, নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান ভুঁইয়া, নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আফতাব উদ্দিন, শামীমা বরকত, আবু বকর সিদ্দিক, এইচ আর এম সাইফুল ইসলাম ও আওয়ামী লীগের আক্তার হোসেন, নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনে বিএনপির শাহীনুর বেগম, স্বতন্ত্র প্রার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস, নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইকবাল উদ্দিন রাশেদ ও সাইফুদ্দিন আহম্মেদসহ ১১ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। তবে নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) আসনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদসহ ১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

ঠাকুরগাঁওয়ে পাঁচ

ঠাকুরগাঁও-১ ও ৩ আসনে ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জাকের পার্টির আল মামুনের মনোনয়ন বাতিল হয়। ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে বাতিল হয় স্বতন্ত্র প্রার্থী গোপাল চন্দ্র রায়, আব্দুল জলিল, রাজেন্দ্র নাথ রায় ও বিকল্প ধারার খলিলুর রহমান সরকারের মনোনয়ন।

বান্দরবানে ছয়

বান্দরবান ৩০০নং সংসদীয় আসনে ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। বাতিলকৃত প্রার্থীরা হলেন- জেলা বিএনপির সভাপতি মাম্যাচিং, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম লীনা, ইসলামী ঐক্য প্রার্থী মো: বাবুল হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক লক্ষী পদ দাশ, স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজকন্যা ডনাই প্রু নেলী এবং বম সম্প্রদায়ের নাথানা লনচে।

নারায়ণগঞ্জে ১৪

নারায়ণগঞ্জ জেলার ৫টি সংসদীয় আসনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া ৬১ প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র যাচাই বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। এতে বাতিল হয়েছে ১৪ জনের মনোনয়নপত্র। আড়াইহাজার আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু হানিফ হূদয়ের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। সোনারগাঁ আসনে আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করলেও দলের সভানেত্রীর চিঠি না থাকায় শফিকুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১ পার্সেন্ট ভোটার তালিকার স্বাক্ষর না থাকায় জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী প্রার্থী অনন্যা হুসেইন মৌসুমী, গণফ্রন্টের প্রার্থী মো. সিরাজুল হক ও শাহাবুদ্দিন ছাড়াও ঋণ খেলাপির কারণে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশারফ হোসেনের মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়েছে। ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ আসনে শ্রমিকলীগ নেতা কাউসার আহম্মেদ পলাশ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১ পার্সেন্ট ভোটার তালিকা সংযুক্ত না করা ও মামলার বিবরণ না দেওয়ায় ওই মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। এছাড়া জাতীয় পার্টির সালাউদ্দিন খোকা মোল্লার মনোনয়ন বাতিল হয় স্ট্যাম্প না থাকায়। একই আসনে বিএনপি দলীয় সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিনের ঋণ খেলাপি ও তার ছেলে জিএম কায়সার মনোনয়নপত্র দিলেও সেখানে ১ পার্সেন্ট ভোটার তালিকার স্বাক্ষর না থাকায় বাতিল করা হয়েছে। একই আসনে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে জেলা বিএনপির সেক্রেটারী মামুন মাহমুদের। সদর-বন্দর আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। ঋণ খেলাপি ও কাউন্সিলর পদ থেকে পদত্যাগ না করায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

গাজীপুরে ১০

গাজীপুরের ৫টি আসনে ১০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার। যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন গাজীপুর-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ কামাল উদ্দীন সিকদার, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মোঃ হুমায়ূন কবির ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের মোঃ আলী হোসেন মন্ডল। গাজীপুর-২ আসনে জাতীয় পার্টির মোঃ জয়নাল আবেদীন ও মোঃ মাহবুব আলম। গাজীপুর-৩ আসনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের মোঃ আঃ রহমান ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) এর মোঃ জহিরুল হক মন্ডল (বাচ্চু)। গাজীপুর-৪ আসনে জাতীয় পার্টির মোঃ মোশারফ হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মনির হোসেন। গাজীপুর-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ আবু আশরাফ ভূঞা। বাতিলকৃত প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১% স্বাক্ষর সম্বলিত তালিকা জমা না দেওয়া, দলীয় প্রার্থীদের হলফনামায় স্বাক্ষর না দেওয়া, দলীয় মনোনয়নপত্রে সিল না থাকা, মামলা সংক্রান্ত ও ব্যক্তিগত তথ্য গোপন করা এবং বিদ্যুত্ বিল খেলাপীর অভিযোগ রয়েছে। রিটার্নিং অফিসার জানান, যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে তারা আগামী তিন দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।

মুন্সীগঞ্জে ছয়

মুন্সীগঞ্জের তিনটি আসন থেকে ৩০ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির প্রার্থীসহ ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে গেছে। মুন্সীগঞ্জ-১ (শ্রীনগর-সিরাজদিখান) আসনে বাতিল করা হয়েছে ৪ জনের। প্রায় ৬ হাজার ৬৭০ টাকার ক্রেডিট কার্ডের সার্ভিস চার্জ বকেয়া থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে শেখ মোঃ আব্দুল্লাহর (বিএনপি)। সাত দিন আগে পরিশোধ করার বিধান থাকলেও তিনি জমা করেছেন ২৬ নভেম্বর। এছাড়া স্বতন্ত্র হিসাবে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর না থাকায় মনোনয়ন বাতিল হয়েছে মোঃ আমিনুল ইসলাম রতন (স্বতন্ত্র) ও মোঃ সাহাব উদ্দিনের (স্বতন্ত্র)। এছাড়া ঋণ খেলাপী থাকায় মোঃ আসাদুজ্জামান শিকদারের (বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশন) মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ-২ (লৌহজং-টঙ্গীবাড়ি) আসনের ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে একজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ঋণ খেলাপী থাকায় এই আসন মোঃ নোমান মিয়ার (জাতীয় পার্টি) মনোনয়ন বাতিল হয়। মুন্সীগঞ্জ-৩ (মুন্সীগঞ্জ সদর-গজারিয়া) আসনের ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে একজনের মনোনয়নপত্র সম্পর্কে সিদ্ধান্ত পেন্ডিং রয়েছে। এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সংক্রান্ত বিষয়ে চৌধুরী ফাহরিয়া আফরিনের (স্বতন্ত্র) মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তবে যে ভোটারদের স্বাক্ষর নিয়ে আপত্তি করা হয়েছে, সেসকল ভোটার উপস্থিত হয়ে তাদের সম্মতির কথা জানানোর পর সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় এই রিপোর্ট লেখার সময় এই নিয়ে আলোচনা চলছিল।

টাঙ্গাইলে ১৩

টাঙ্গাইলে কৃষক শ্রমিক জনতালীগের সভাপতি আব্দুল কাদের সিদ্দিকীসহ ৮টি আসনের ১৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। ঋণ খেলাপীর দায়ে টাঙ্গাইল ৪ ও ৮ আসনে আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। তবে তিনি (কাদের সিদ্দিকী) মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন বলে জানান। ঋণ খেলাপীর দায়ে টাঙ্গাইল ১ আসনে বিএপির প্রার্থী ফকির মাহাবুব আনাম স্বপন ও টাঙ্গাইল ৬ আসনে বিএনপির নুর মোহাম্মদ খানের মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়। এ ছাড়া টাঙ্গাইল ৩ আসনে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ না থাকায় মো. চাঁন মিয়া (এনপিপি), হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় আতাউর রহমান খান (বিএনএফ), টাঙ্গাইল ৪ আসনে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গরমিল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. বাকির আলী ও আবুল কাশেম, টাঙ্গাইল ৬ আসনে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গরমিল থাকায় মো. সুলতান মাহমুদ (বিএনএফ), দলীয় মনোনয়ন চিঠিতে দলের প্রধানের স্বাক্ষর না থাকায় মামুনুর রহমান (এনপিপি), টাঙ্গাইল ৭ আসনে ঋণ খেলাপী থাকায় মজিবর রহমান (খেলাফত মজলিস), টাঙ্গাইল ৮ আসনে ঋণ খেলাপী থাকায় আশরাফ সিদ্দিকী (জাতীয় পার্টি), উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ না করা ও বিল খেলাপী থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী শহীদুল ইসলাম, দলীয় মনোনয়ন চিঠিতে দলের প্রধানের স্বাক্ষর না থাকায় আব্দুল লতিফ (খেলাফত মজলিস) এর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

সিরাজগঞ্জে ১৮

সিরাজগঞ্জ ৬টি আসনে ৫১ জনের মধ্যে সাবেক দুই মন্ত্রীসহ ১৮ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। মনোনয়ন বাতিলকৃত প্রার্থীরা হলেন: ৬২ সিরাজগঞ্জ – ১ (কাজিপুর) আসনে ৬জন প্রার্থীর মধ্যে মোঃ সেলিম রেজা (বিএনপি)। ৬৩ সিরাজগঞ্জ-২ (সিরাজগঞ্জ সদর – কামারখন্দ) আসনে ৬জন প্রার্থীর মধ্যে ইকবাল হাসান মাহমুদ (বিএনপি), ছাইয়েদুল ইসলাম কোরাইসী (জাকের পার্টি)। ৬৪ সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে মোঃ আয়নুল হক (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), মোঃ আয়নুল হক (বিএনপি), মোঃ আহসান হাবীব সুমন (স্বতন্ত্র), মোঃ জিয়াউর রহমান (স্বতন্ত্র), সাইফুল ইসলাম শিশির (বিএনপি)। ৬৫ সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে ১১ জনের মধ্যে আব্দুর রহমান (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), খন্দকার গোলাম আজাদ (বিএনপি), মোঃ আব্দুল্লাহ আল হাসেম (জাতীয় পার্টি), মোঃ সোলাইমান হোসেন (স্বতন্ত্র)। ৬৬ সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনে ৯ জনের মধ্যে আব্দুল্লাহ আল মামুন (বিএনপি), মেজর (অবঃ) মনজুর কাদের (বিএনপি), মোঃ আলী আলম (স্বতন্ত্র)। ৬৭ সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনে ৬ জনের মধ্যে এস এ মুহিত (বিএনপি), মাসুদুর রহমান (স্বতন্ত্র), মোঃ হাবিবুর রহমান (মুসলীম লীগ)।

কক্সবাজারে চার

জেলা প্রশাসকের হিল ডাউন সার্কিট হাউসে যাচাই-বাছাই শেষে এই ৪জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়। এছাড়া বৈধ ঘোষণা করা হয় ৩০ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র। তবে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়) আসনে কোন প্রার্থীরই মনোনয়ন পত্র বাতিল হয়নি। কক্সবাজার-২ (মহেশকালী-কুতুবদিয়া) আসনে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন জাতীয় পার্টির মো: মহিবুল্লাহ ও আবু বকর ছিদ্দিক। কক্সবাজার-৩ আসনে(সদর-রামু) আসন থেকে কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি নজিবুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দীন চৌধুরীকে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গরমিল থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

শরীয়তপুরে পাঁচ

শরীয়তপুরের তিনটি আসনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের। টেলিফোন বিল বকেয়া থাকায় শরীয়তপুর-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী সরদার একেএম নাসির উদ্দিন, শরীয়তপুর-২ আসনে জাকের পার্টির মো. বাদল কাজী ও শরীয়তপুর-৩ আসনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সুশান্ত ভাওয়াল এবং শরীয়তপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সফিউদ্দিন মানিক হাওলাদারের মনোনয়নপত্রে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সমর্থক না থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে গেছে। এ ছাড়াও কৃষি ব্যাংকে ঋণ খেলাফি থাকায় শরীয়তপুর-১ আসনে জাকের পার্টির মোঃ আলমগীর হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক