Search
Friday 19 October 2018
  • :
  • :

ট্রাম্পের সঙ্গে ঐতিহাসিক বৈঠক : সিঙ্গাপুর পৌছেছেন কিম

ট্রাম্পের সঙ্গে ঐতিহাসিক বৈঠক : সিঙ্গাপুর পৌছেছেন কিম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ১১ জুন : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ঐতিহাসিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের জন্য সিঙ্গাপুরে পৌছেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী মঙ্গলবার এই দুই নেতার মধ্যে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।

আজ রবিবার রাতের দিকে সিঙ্গাপুরে পৌছানোর কথা রয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ট্রাম্প এই বৈঠকটি শান্তির উদ্দেশ্যে ‘একটি মাত্র সুযোগ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। পাশাপাশি এই দুই নেতা ‘অপরিচিত দেশে’ আছেন বলেও মন্তব্য করেছেন।

তবে নিজেদের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আগে দুই নেতাই আলাদা আলাদাভাবে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লী সিয়েন লুং এর সাথে বৈঠক করবেন।

ধারণা করা হচ্ছে, এই বৈঠকের পর উত্তর কোরিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে ফিরে আসবে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের শক্তিশালী দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে দ্বিপক্ষীয় সাক্ষাতে রাজি করানোর মাধ্যমে ইতোমধ্যে নৈতিক জয় হয়েছে কিমের।

এই দুই পক্ষের মধ্যে শেষ পর্যন্ত বৈঠক হলেও তার ফলাফল ইতিবাচক হবে এমনটা এখনই বলা যাচ্ছে না। সম্প্রতি রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে কিম বলেন, “এমনটা হতেই পারে যে, উত্তর কোরিয়ার সাথে আমাদের সাক্ষাত বড় এবং বড় ধরনের বিরোধের মাধ্যমে শেষ হলো। এমনটার সামান্য ইঙ্গিত দেখলে আমরা বৈঠক বাতিল করব। তবে যদি সবকিছু ভালোভাবে আগায় তাহলে কিমকে আমরা হোয়াইট হাউজে আমন্ত্রণ জানাতে পারি”।

আর কিম জং উন বলেন, “যদি যুক্তরাষ্ট্র আমাদের উস্কে দেওয়ার বিন্দুমাত্র চেষ্টা করে তাহলে ইতিহাসের সবথেকে বড় ধ্বংসের পরিণতি কেউ থামাতে পারবে না”।

যেভাবে আসলেন কিম
কিমের সিঙ্গাপুর আসার মধ্যে বেশ ধোয়াশা ছিল। কিমের আসার সময়ে সিঙ্গাপুরের বিমানবন্দরে মোট তিনটি প্লেন অবতরণ করেন। প্রথম পেলে আসে কিমের বিশালাকার লিমোজিন গাড়ি। দ্বিতীয় প্লেনটি ছিল চাইনিজ প্রেসিডেন্ট শী জিংপিং এর বোয়িং ৭৪৭। আর তৃতীয় প্লেনটিতে ছিল কিমের ব্যক্তিগত রাশিয়ায় নির্মিত এলিশিয়ান ৬২ বিমান।

এমনকি সিঙ্গাপুরে কোন হোটেলে থাকবেন কিম তা নিয়েও রাখা হয় ব্যাপক গোপনীয়তা। তবে সেন্ট রেগিস হোটেলের সামনে তাকে দেখা যায়। আন্দাজ করা হচ্ছে এখানেই থাকবে তিনি। বিমানবন্দর থেকে হোটেলের পথে আসার সময়েও বেশ রাখঢাক বজায় রাখে কিম ও কিমের নিরাপত্তাবাহিনী। উত্তর কোরিয়ার জাতীয় পতাকাবাহী নিজ মার্সিডিজে ছিলেন না কিম। বরং অন্য আরেকটি গাড়ি থেকে নামতে দেখা যায় তাকে। সূত্রঃ বিবিসি