Search
Thursday 12 December 2019
  • :
  • :

টুর্নামেন্ট সেরা উইলিয়ামসন

টুর্নামেন্ট সেরা উইলিয়ামসন

স্পোর্টস ডেস্ক, ১৫ জুলাই : ৬০৬ রান ও ১১ উইকেট, অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে সাকিব আল হাসান বিশ্বকাপে নিজেকে নতুন করে পরিচিত করেন। বুক ভরা আত্মবিশ্বাস আর মাঠের ক্রিকেটে হার না মানা মনোবলে সাকিব হয়ে ওঠেন অসাধারণ।

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের এমন পারফরম্যান্সের পরও বাংলাদেশ ওঠে না সেমিফাইনালে। তাইতো সাকিব বড় মঞ্চে পারফর্ম করার সুযোগও পান না। তারপরও বাংলাদেশি সমর্থকরা স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন সাকিবের হাতে উঠবে টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার। বিশ্বকাপ আয়োজকদের সংক্ষিপ্ত তালিকাতেও ছিলেন সাকিব।

কিন্তু অনেক হিসাব-নিকাশের পর সাকিব বাদ পড়েন। তবুও ফাইনালের মঞ্চে উচ্চারিত হয় তার কীর্তি। লর্ডসের মাঠে উপস্থিত হওয়া বাংলাদেশি সমর্থকরাও তাতে সায় দেন। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পাওয়া হয়নি নিউজিল্যান্ডের। কিন্তু দলকে ফাইনাল পর্যন্ত নিয়ে আসায় কেন উইলিয়ামসন পেয়েছেন টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার।

ব্যাটিংয়ে ৫৭৮ রান করেছেন কিউই অধিনায়ক। ২২ গজে শুধু রান করেননি, প্রয়োজনের সময় ব্যাট হাতে লড়েছেন শেষ পর্যন্ত। তাইতো আইসিসির বিশেষ প্যানেল উইলিয়ামসনের হাতে পুরস্কার তুলে দিতে কার্পণ্য করেনি। রোহিত শর্মা ও সাকিব আল হাসানকে পেছনে ফেলে উইলিয়ামসন পেয়েছেন পুরস্কার।

রোহিত বিশ্বকাপে পাঁচ সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে করেছেন ৬৪৮ রান। তার থেকে ১ রান কম করেছেন ডেভিড ওয়ার্নার। সাকিব রয়েছেন তিনে। বোলিংয়ে মিচেল স্টার্ক ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। ২৭ উইকেট নিয়ে এক আসরে সবচেয়ে বেশি উইকেটের রেকর্ডও গড়েছেন। অসি পেসারও ছিলেন বিবেচনায়। কিন্তু উইলিয়ামসন ছিলেন সবচেয়ে আলাদা, সবচেয়ে সুন্দর।

ভারতের কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার ২০০৩ সালে পেয়েছিলেন টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার। লর্ডসে তার হাত থেকেই পুরস্কার গ্রহণ করেন কিউই অধিনায়ক। ১৯৯২ সাল থেকে টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার দিয়ে আসছে আইসিসি। প্রথম আসরে নিউজিল্যান্ডের মার্টিন ক্রো পেয়েছিলেন সেই পুরস্কার। ২৭ বছর ও বিশ্বকাপের ছয় আসর পর কোনো নিউজিল্যান্ডের খেলোয়াড় পেলেন এত বড় পুরস্কার।

মাঝে এই পুরস্কার গ্রহণ করেছেন সনাৎ জয়াসুরিয়া (১৯৯৬), ল্যান্স ক্লুজনার (১৯৯৯), শচীন টেন্ডুলকার (২০০৩), গ্লেন ম্যাকগ্রা (২০০৭), যুবরাজ সিং (২০১১) ও মিচেল স্টার্ক (২০১৫)।