Search
Saturday 19 January 2019
  • :
  • :

জেএসসি-জেডিসিতে বিষয় ও নম্বর কমানোর সিদ্ধান্ত ৩১ মে

জেএসসি-জেডিসিতে বিষয় ও নম্বর কমানোর সিদ্ধান্ত ৩১ মে

ঢাকা, ২৮ মে : জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার নম্বর ও বিষয় কমানো হবে কিনা, সরকার আগামী ৩১ মে সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

সচিবালয়ে রোববার জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) সভা শেষে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

এনসিসিসির সভায় এদিন কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও শিক্ষার্থীদের ওপর থেকে চাপ কমাতে জেএসসি-জেডিসির বিষয় ও নম্বর কমনোর পক্ষেই সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন সচিব।-খবর বিডিনিউজের।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর বেশি চাপ পড়ছে। এখন আমরা সেই চাপ কমানোর উদ্যোগ নিয়েছি। আপাতত কিছু বিষয় কমানো যায় কি না… কমালে এ বছর থেকেই বাস্তবায়ন করব।

সোহরাব হোসাইন আশ্বস্ত করেন, জেএসসি-জেডিসিতে বিষয় ও নম্বর কমানো নিয়ে যে সিদ্ধান্তই হোক না কেন, এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দুঃচিন্তার কোনো কারণ থাকবে না।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানদের সংগঠন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাবকমিটি জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র স্কুল দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা থেকে সাতটি বিষয়ে মোট ৬৫০ নম্বরের পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তাব করেছে। বর্তমানে চতুর্থ বিষয়সহ ১০টি বিষয়ে ৮৫০ নম্বরের পরীক্ষা হয়।

নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, জেএসসিতে বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র মিলে ১০০ নম্বরের একটি পরীক্ষা হবে। ইংরেজিতেও দুই পত্র মিলে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এখন দুই পত্রের জন্য দুটি পরীক্ষা হয়, দুটি পত্র মিলিয়ে মোট নম্বর থাকে ১৫০। প্রস্তাব অনুযায়ী চতুর্থ বিষয়ের পরীক্ষা এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই ধারাবাহিকভাবে মূল্যায়ন করা হবে।

তবে গণিত, ধর্ম, বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ের পরীক্ষা আগের মতো আগের নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে।

অষ্টমের সমাপনী পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিলের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও এমসিকিউ বাদ দেওয়ার পক্ষেই মত দিয়েছেন শিক্ষা সচিব।

তিনি বলেন, আমি সবসময় এমসিকিউ-এর বিপক্ষে। এমসিকিউ অত্যন্ত উন্নতমানের একটা পদ্ধতি। কিন্তু আমরা সেই পর্যায়ে এখনো পৌঁছাইনি। … এমসিকিউ-এর জন্য মরিয়া হয়ে মানুষ অনেক কিছু করছেন।

যে পরীক্ষা কাউকে সঠিক মূল্যায়ন করতে সহযোগিতা করে না বা সঠিক মূল্যায়ন করে না, সে পরীক্ষা থাকার কোনো যুক্তি নেই বলে আমি মনে করেন তিনি। -যুগান্তর