Search
Tuesday 24 May 2022
  • :
  • :

জল্পনা-কল্পনার অবসান : খুলে গেল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

জল্পনা-কল্পনার অবসান : খুলে গেল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

ঢাকা : সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে খুলে গেল বহুল প্রত্যাশিত মালয়েশিয়ার বৈদেশিক শ্রমবাজার। মঙ্গলবার প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দুদেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত স্পেশাল জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক শেষে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মহাসচিব দাতো সেরি শরিফুদ্দিন বিন কাশিম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ন্ত্রণে যারা সিন্ডিকেটের ধুঁয়ো তুলছেন, তাদের অপপ্রচারকে উড়িয়ে দিয়ে মন্ত্রী জানান, এ মাসের মধ্যেই উভয় দেশের মধ্যে ‘জিটুজি প্লাস’ সমঝোতা স্মারক সই হবে। সরকারের পাশাপাশি নিবন্ধিত সব রিক্রুটিং এজেন্সিই কর্মী পাঠাতে পারবে। তবে অবশ্যই তাদের ক্লিন ইমেজের হতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, ধরে নিন মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার এখন ওপেন। আজ জিটুজি প্লাস পদ্ধতিতে কর্মী পাঠাতে সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। শিগগির তা দুদেশের মন্ত্রিসভার বৈঠকে তোলা হবে। অনুমোদিত হলে এ মাসেই মালয়েশিয়ায় গিয়ে এমওইউ সই ও চুক্তি করা হবে। মন্ত্রী জানান, দুদেশ মিলে অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৪২ হাজার টাকা।

তিনি বলেন, যেসব রিক্রুটিং এজেন্সির অতীতের কর্মকা- ভালো, যাদের বিরুদ্ধে সরকারের কাছে কোনো অভিযোগ নেই- একমাত্র  তারাই এবার মালয়েশিয়ায় লোক পাঠাতে পারবে। শুধু ডাটাবেজভুক্তরাই মালয়েশিয়ায় যেতে পারবে নাকি অন্যরাও- এমন প্রশ্নের উত্তরে নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেন, জিটুজি পদ্ধতিতে যাওয়ার জন্য ১৪ লাখ লোক রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন। আমাদের কাছে একটা ডাটাবেজও আছে। তবে এর বাইরে যে কেউ নাম নিবন্ধন করে মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন।

স্পেশাল জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে উপস্থিত থাকা বাংলাদেশ সরকারের এক কর্মকর্তা জানান, মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়রার কোনো ভূমিকা থাকছে না। বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সির (বিআরএ) মাধ্যমেই কর্মী পাঠানো হবে।

এর আগে জনশক্তি রপ্তানির রূপরেখা চূড়ান্ত করতে সোমবার ঢাকা পৌঁছান মালয়েশিয়া সরকারের ৫ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল। দেশটির মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের মহাসচিব দাতো সেরি শরিফুদ্দিন বিন কাশিম প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন- ঢাকায় নিযুক্ত মালয়েশিয়ান হাইকমিশনার নরলিন বিনতে ওথম্যান, শ্রম মন্ত্রণালয়ের উপমহাপরিচালক আসরি বিন আবদুর রাহমান, মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফরেন ওয়ার্কার্স ম্যানেজমেন্ট ডিভিশনের আন্ডার সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামি বিন মাত জাইন ও মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচির সাতিশ শ্রীবাসন।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব খন্দকার ইফতেখার হায়দার বাংলাদেশের পক্ষে ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। প্রতিনিধিদলে ছিলেনÑ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালক শামসুন নাহার, প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কাজী আবুল কালাম ও মো. আবদুর রউফ, মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম, শ্রম কাউন্সেলর সাইদুল ইসলাম প্রমুখ।




Leave a Reply

Your email address will not be published.