Search
Wednesday 18 May 2022
  • :
  • :

চট্টগ্রামে নিয়োগ জালিয়াতি ৯ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

চট্টগ্রামে নিয়োগ জালিয়াতি ৯ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

চট্টগ্রাম, ১৬ অক্টোবর : নিয়োগ জালিয়াতির অভিযোগে চমেক হাসপাতালের ৯ ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিভিন্ন পদে কর্মচারী নিয়োগে পরীক্ষার্থীরা পেয়েছে সঠিক উত্তরের নম্বর। আর কোনো কোনো পরীক্ষায় তো পরিদর্শকের স্বাক্ষরই ছিল না। ফলে বোঝার উপায় নেই পরীক্ষার উত্তরপত্রটি বাইরে থেকে সরবরাহ করা হয়েছে নাকি পরীক্ষার্থী নিজে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। এসব কারণেই দুদক এ মামলাটি করেছে।

গত বুধবার দুদকের উপ-পরিচালক কে এম মিছবাহ উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- চমেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. কাজী শফিকুল, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. খোরশেদ শিরীন, মেডিসিন বিভাগের আবাসিক ফিজিশিয়ান ডা. মোমেন সরকার, গাইনি বহির্বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. কামরুন নেসা বেগম, শিশু বাহির্বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মো. গিয়াস উদ্দিন, রেডিওথেরাপি বহির্বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মো. আলী আসগর চৌধুরী, সিনিয়র স্টোর অফিসার ডা. শেখ মোহাম্মদ জামাল মোস্তফা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মেডিকেল অফিসার ডা. দেবাশীষ দত্ত ও মেডিকেল অফিসার (স্টোর) ডা. নাজমুল আখতার। এরা সবাই নিয়োগ মূল্যায়ন কমিটির সদস্য ছিলেন।

জানা গেছে, চমেক হাসপাতালে বিভিন্ন পদে ২০১১ সালের ২রা ডিসেম্বর ৭০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। পরীক্ষায় অংশ নিয়ে যারা উত্তীর্ণ হয়ে চাকরিতে যোগ দিয়েছেন তাদের খাতা মূল্যায়ন করে দুদক। এতে দেখা যায় মোটিভেটর পদে মো. মোহসীন, কাজী মো. শওকত ওসমান, রাজীব কুমার দে, দীপিকা দাস এবং সাবিহা সুলতানার খাতায় পরিদর্শকের স্বাক্ষর নেই। এছাড়া মোটিভেটর মো. মহসিন তার খাতায় ৩(ঘ) নং প্রশ্নের উত্তর ভুল দিলেও নম্বর দেয়া হয়েছে তাকে। পরিসংখ্যান সহকারী পদে যোগদানকারী দীপিকা দাস তার খাতায় ৬নং প্রশ্নের উত্তর ভুল লিখলেও তাতে নম্বর দেয়া হয়েছে। অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে কাওছার আহমেদ ২নং প্রশ্নের সঠিক উত্তর না দিতে পারলেও দেয়া হয়েছে ৬ নম্বর। একধাপ এগিয়ে ৩নং প্রশ্নের মান ১ থাকলেও তাকে দেয়া হয়েছে ২। এছাড়া টেলিফোন অপারেটর পদে শরীফা তরফদারের খাতায় ৩নং প্রশ্নের (খ) নং প্রশ্নের উত্তর ভুল করলেও তাকে দেয়া হয়েছে নম্বর। ৫ নম্বর প্রশ্নেও ঘটেছে একই কা-।

আর এসব কারণে মূল্যায়ন কমিটির সদস্যদের যোগসাজশে নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে কমিশন ২০১২ সালে অনুসন্ধানে নামে। চার বছরের বেশি সময় তদন্ত করে ৯ ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা করলো দুদক।

এ বিষয়ে পাঁচলাইশ থানার ওসি মহিউদ্দিন মাহমুদ জানান, ‘নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ উঠায় চমেকের ৯ ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। দুদকের উপ-পরিচালক এ কে এম মিছবাহ উদ্দিন বাদী হয়ে এ মামলাটি  করেছেন।’




Leave a Reply

Your email address will not be published.