Search
Tuesday 24 May 2022
  • :
  • :

গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম কমানোর সুযোগ ছিল

গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম কমানোর সুযোগ ছিল

এ বি এম মির্জা আজিজুল ইসলাম-এর সাক্ষাৎকার

ড. এ বি এম মির্জা মো. আজিজুল ইসলাম, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এম এ খালেক

এম এ খালেক : বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা পৃথক পে-স্কেলের দাবিতে আন্দোলন করছেন। এ দাবি কতটা যৌক্তিক বলে মনে করেন?

ড. এ বি এম মির্জা আজিজুল ইসলাম : আমাদের দেশে তো অনেক পেশার মানুষই এরকম পৃথক পে-স্কেল দাবি করে থাকেন। এখন প্রশ্ন হলো, আমি যদি কোয়ালিফিকেশন চিন্তা করি তাহলে দেখতে হবে একইরকম কোয়ালিফিকেশনের লোক অন্যত্র কী রকম বেতন পাচ্ছেন। সে বিবেচনা করলে শিক্ষকদের তো নানারকম শ্রেণিবিন্যাস আছে। লেকচারার থেকে শুরু করে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর, প্রফেসর ইত্যাদি শ্রেণিবিন্যাস রয়েছে। কাজেই এ দাবি কতটা যৌক্তিক তা বিচার করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি। শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, তারা এ ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা করবেন। আমার যতটুকু মনে পড়ে, শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল বাস্তবায়নের পাশাপাশি আরও একটি দাবি উত্থাপন করা হয়েছিল তা হলো, প্রফেসরদের সিনিয়র সচিবের সমপর্যায়ের করতে হবে। এখন প্রশ্ন হলো, সিনিয়র সচিবের পোস্ট কতগুলো? সরকারের মধ্যে সিনিয়র সচিবের পোস্ট বড়জোর ৮ থেকে ১০টি হবে। অন্যদিকে প্রফেসরের পোস্ট কতগুলো? কাজেই আমার মনে হয়, এ দাবিগুলো নিয়ে যথেষ্ট বিতর্কের অবকাশ আছে এবং এ নিয়ে ব্যাপক আলাপ-আলোচনা করতে হবে।

খালেক : সম্প্রতি সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল অনুমোদন করা হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এতে বাজারে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আপনি কী মনে করেন?

আজিজুল ইসলাম : আমি আগেও এ ব্যাপারে মন্তব্য করেছি। আমি মনে করি, নতুন পে-স্কেল অনুমোদন বা বাস্তবায়নের ফলে মূল্যস্ফীতি খুব একটা বাড়বে না। এর ফলে বাজারে নতুন করে যে মুদ্রার সঞ্চার হবে তা সামষ্টিক মুদ্রা সঞ্চারের অংশ হিসেবে খুব একটা বেশি নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক বিগত পাঁচ বা ছয়টি পে-স্কেল নিয়ে যে বিশ্লেষণ করেছিল তাতে দেখা গেছে, পে-স্কেল বাস্তবায়নের ফলে দুইটি ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব পড়েছিল। অন্যান্য ক্ষেত্রে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। আমাদের দেশে মূল্যস্ফীতির ক্ষেত্রে যে দুইটি খাত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে তার মধ্যে একটি হলো খাদ্যমূল্য এবং অন্যটি হলো আমদানি মূল্য। মূল্যস্ফীতির ওপর খাদ্যমূল্য প্রায় ৬০ শতাংশ অবদান রাখে। অবশিষ্ট খাতগুলো ৪০ শতাংশ অবদান রাখে। যেসব পণ্য স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হচ্ছে সেগুলোও আমরা বাইরে থেকে আমদানি করি। আমরা লক্ষ্য করব, আন্তর্জাতিক বাজারে বেশিরভাগ পণ্যের মূল্য কমে যাচ্ছে। স্থানীয়ভাবে খাদ্যপণ্যের উৎপাদন বেশ ভালো হয়েছে। যে কারণে সরকার এখন খাদ্য আমদানির ওপর আমদানি শুল্ক আরোপ করেছে। সুতরাং আমি মনে করি, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়িত হলেও বাজারে মূল্যস্ফীতি খুব একটা বাড়বে না।

খালেক : বাংলাদেশের শিডিউল ব্যাংকগুলোকে চলতি অর্থবছরের জন্য ১৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লী ঋণ মঞ্জুরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। তারা তৃণমূল অর্থাৎ কৃষক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১১ শতাংশ সুদে ঋণ বিতরণ করবে। এনজিওরা শিডিউল ব্যাংক থেকে ১১ শতাংশ সুদে কৃষি ও পল্লী ঋণ গ্রহণ করতে পারবে। এ ঋণ কৃষক পর্যায়ে বিতরণের ক্ষেত্রে এনজিওরা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির নির্ধারিত নিয়মে সুদ হার এবং অন্যান্য শর্তাদি নির্ধারণ করবে। অভিযোগ উঠেছে যে, এনজিওরা কৃষক পর্যায়ে এ ঋণ ২৭ শতাংশ পর্যন্ত সুদে প্রদান করছে। এতে স্বল্প সুদে কৃষিঋণ বিতরণের উদ্দেশ্য কি বিঘ্নিত হবে বলে মনে করেন?

আজিজুল ইসলাম : তুলনামূলক স্বল্প সুদে কৃষি এবং পল্লী ঋণ বিতরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের যে পরিকল্পনা নিশ্চিতভাবেই এটাকে ব্যর্থতা বলা যেতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ ধরনের পরিকল্পনা নেয়ার আগেই চিন্তা করা উচিত ছিল যে, বেশিরভাগ শিডিউল ব্যাংক, বিশেষ করে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর পল্লী অঞ্চলে পর্যাপ্ত শাখা নেই। তাদের দক্ষ লোকবলেরও অভাব রয়েছে। কাজেই শিডিউল ব্যাংকগুলো ইচ্ছা থাকলেও তৃণমূল পর্যায়ে কৃষকদের সরাসরি ঋণ দিতে পারবে না। তাদের সে ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট নেই। কাজেই কৃষিঋণ দিতে হলে হয় সমবায়ের মাধ্যমে অথবা এনজিওর মাধ্যমে দিতে হবে। কারণ এদের তৃণমূল পর্যায়ে নেটওয়ার্ক আছে। এখন এনজিওর যদি স্বাধীনতা থাকে যে, তারা অন্য সোর্স থেকে ঋণ এনে যে সুদ চার্জ করে এক্ষেত্রেও সেটাই প্রযোজ্য হবে তাহলে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের মূল উদ্দেশ্য বিঘ্নিত হতে বাধ্য। আমি মনে করি, এ পর্যায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের উচিত হবে কৃষি ও পল্লী ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সিলিং নির্ধারণ করে দেয়া। এ ঋণ যারাই বিতরণ করবে তারা যেন কৃষক পর্যায়ে ১১ শতাংশের বেশি সুদ আরোপ না করে।

খালেক : সম্প্রতি গ্যাস এবং বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। এটা কতটা যৌক্তিক হয়েছে বলে মনে করেন? বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাজারে যেখানে জ্বালানি তেলের মূল্য নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে?

আজিজুল ইসলাম : আমি আগেও বলেছি, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ার কারণে স্থানীয় বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য কমানোর সুযোগ আছে। জ্বালানি তেলের দাম কমানো হলে বিদ্যুতের মূল্যও যৌক্তিকভাবে হ্রাস করা যেতে পারে। কারণ এখনও অনেক বিদ্যুৎ প্লান্ট আছে, যা জ্বালানি তেলনির্ভর। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আমরা যখন একসময় ডিজেলের দাম বাড়াই, তখন আমাদের একটি সিদ্ধান্ত ছিল যে, প্রত্যেক তিন মাস পর পর রিভিউ হবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কতটা ওঠানামা করছে। তার ওপর নির্ভর করে স্থানীয় বাজারে তেলের মূল্য সমন্বয় করা হবে। এখন সরকার যেটা করছে তা হলো, আগেকার যে লোকসান আছে তা পুষিয়ে নেয়ার জন্য স্থানীয় বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানো হচ্ছে। কিন্তু এটা তো ইকোনমিক জাস্টিফিকেশন হলো না। আমি মনে করি, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি নয়, বরং কমানোর সুযোগ ছিল।

খালেক : গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ফলে কি উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে বলে মনে করেন?

আজিজুল ইসলাম : গ্যাস ও বিদ্যুতের সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদন খুব একটা ব্যাহত হবে বলে মনে হয় না। এখানে সেক্টর টু সেক্টর ইম্প্যাক্ট আলাদা হবে। এনার্জি টোটাল প্রোডাকশনের কত শতাংশ তার ওপর নির্ভর করবে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে কী করবে। তবে সামগ্রিকভাবে উৎপাদন ব্যয় কিছুটা কমানোর যে সুযোগ ছিল তা উদ্যোক্তারা পাচ্ছেন না।

খালেক : সম্প্রতি দুইজন বিদেশি নাগরিক খুন হয়েছেন। কে বা কারা এ হত্যাকান্ডের পেছনে ছিল তা অনুসন্ধান করা হচ্ছে। আমরা সে দিকে যেতে চাচ্ছি না। আমি জানতে চাচ্ছি, বিদেশি হত্যাকান্ডের ফলে দেশের বিনিয়োগ এবং পর্যটন শিল্প কি ক্ষতিগ্রস্ত হবে?

আজিজুল ইসলাম : আপনি যে আশঙ্কার কথা বললেন সেটা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না। আমি মিডিয়া রিপোর্টে দেখতে পেয়েছি বেশ ক’টি প্রতিনিধি দল তাদের ট্যুর ক্যানসেল করেছে। তৈরি পোশাক শিল্পের বেশ কিছু বিদেশি ক্রেতা, যাদের বাংলাদেশে আসা এবং এখানে বায়ার্স ফোরামের কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করার কথা ছিল তারা তা বাতিল করেছেন। পর্যটন শিল্প অবশ্য আমাদের দেশের অর্থনীতিতে খুব একটা বড় ভূমিকা পালন করে না। কিন্তু এর সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি জড়িত। বিদেশিরা যখন মিডিয়ার রিপোর্টে দেখবে বাংলাদেশে ১০টি ট্যুর প্রোগ্রাম ক্যানসেল করেছে তখন স্বাভাবিকভাবেই তারাও বাংলাদেশে আসতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। বিদেশি ক্রেতারা যদি বাংলাদেশে আসতে সঙ্কোচ বোধ করে তাহলে আমাদের পণ্য রফতানি ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। এছাড়া বিদেশি বিনিয়োগ আহরণের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের ভূমিকা পালন করতে পারে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা একটি পূর্বশর্ত। এখানে সেই শর্ত ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে বিদেশি বিনিয়োগ তো বিদেশিরাই করবেন। তাদের মনে যদি কোনো জনপদ নিয়ে শঙ্কা থাকে তাহলে বিনিয়োগ ব্যাহত হতে বাধ্য।

খালেক : সাম্প্রতিক সময়ে একটি প্রবণতা বেশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে তা হলো, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন না। বরং তারা ট্রেডিং ব্যবসায়ের দিকে ঝুঁকেছেন। এতে কি দেশের উৎপাদনশীল সেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করেন?

আজিজুল ইসলাম : এটা তো বেশ কিছুদিন ধরেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এমনিতেই বেসরকারি খাতে ক্রেডিট গ্রোথ তুলনামূলকভাবে কম। বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট গ্রোথের যে টার্গেট ছিল অনেকের মতে তা সঙ্কোচনমূলক। আমি ঠিক সঙ্কোচনমূলক বলব না। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক যে টার্গেট দিয়েছিল তা কোনোভাবেই পূরণ হচ্ছে না। গত অর্থবছরে এ প্রবণতা দেখা গেছে। এবারও তার ব্যত্যয় ঘটছে না। অন্যদিকে কাঁচামালের আমদানি গ্রোথ একেবারে নেই বললেই চলে। অর্থাৎ উদ্যোক্তারা তাদের প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান উৎপাদন ক্ষমতা ব্যবহার করছে না। এ অবস্থায় উদ্যোক্তাদের নতুন বিনিয়োগের আগ্রহ আছে বলে মনে হয় না। যেহেতু শিল্প খাতে বিনিয়োগের সুযোগ কমে যাচ্ছে এবং ট্রেডিংয়ের স্বল্প সময়ে অর্থ আয়ের সুযোগ আছে তাই তারা ট্রেডিংয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। অর্থনীতিতে ট্রেডিংয়ের প্রয়োজনীয়তা আছে। কিন্তু উৎপাদন কমে গেলে তা দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদে বিপদ ডেকে আনতে পারে।

এম এ খালেক : বর্তমানে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের পরিমাণ ২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করে গেছে। বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের এ স্ফীত অবস্থা কি স্থবিরতার লক্ষণ বলে মনে করেন?

ড. এ বি এম মির্জা আজিজুল ইসলাম : আমি বলব যে, এটা একটা মিশ্র চিত্র দিচ্ছে। মিশ্র চিত্র এ কারণেই বলছি, আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের দাম কমেছে। ২০১৪-’১৫ অর্থবছরে আমদানি প্রায় ২৫ শতাংশ কমে গিয়েছিল মার্কিন ডলারের হিসাবে। সেটা রিজার্ভ বাড়ার একটি কারণ। অন্যদিকে রফতানি প্রবৃদ্ধি কিন্তু মোটেও সন্তোষজনক নয়। গত অর্থবছরে রফতানি প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৩৫ শতাংশ। এমনকি আমাদের রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়।

মূলত দুইটি কারণে রিজার্ভ বাড়ছে। এর মধ্যে একটি হলো আমদানি ব্যয় প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়া। মুদ্রার বিনিময় হার নির্ধারণের বিষয়টি যদি মার্কেট ফোর্সের ওপর ছেড়ে দেয়া হতো তাহলে মার্কিন ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রা শক্তিশালী হতো, তাই বাংলাদেশ ব্যাংক মাঝে মাঝেই বাজার থেকে ডলার কিনে নিচ্ছে। একটি দেশের অর্থনীতির জন্য তিন থেকে চার মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো রিজার্ভ থাকলেই তাকে সন্তোষজনক বলা যেতে পারে। সেখানে আমাদের বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে প্রায় ৭ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক বাজার থেকে মার্কিন ডলার কিনে নেয়ার ফলে দুইটি ইম্প্যাক্ট হচ্ছে।

প্রথমত, বাজার থেকে ফরেন কারেন্সি কেনার ফলে স্থানীয় বাজারে লোকাল কারেন্সির সার্র্কুলেশন বেড়ে যাচ্ছে। সেটা মূল্যস্ফীতির ওপর একটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে বর্তমান মূল্যস্ফীতি আমাদের জন্য খুব একটা চ্যালেঞ্জিং নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক এ রিজার্ভ দিয়ে বিদেশ থেকে হয়তো ট্রেজারি বন্ড কিনছে। কিন্তু সেখানে লাভের পরিমাণ খুব একটা বেশি নয়। এ রিজার্ভ যদি আমরা উৎপাদনের জন্য ব্যবহার করতে পারতাম তাহলে সেটা বেশি উপকারী হতো।




Leave a Reply

Your email address will not be published.