Search
Monday 23 May 2022
  • :
  • :

ওয়ালটন জাতীয় ক্রিকেট লিগে খুলনার রোমাঞ্চকর জয়

ওয়ালটন জাতীয় ক্রিকেট লিগে খুলনার রোমাঞ্চকর জয়

স্পোর্টস ডেস্ক, ১৩ অক্টোবর : স্বল্প পুঁজি নিয়েও মেহেদী হাসান মিরাজ ও আব্দুর রাজ্জাকের দারুণ বোলিংয়ে রংপুর বিভাগের বিপক্ষে ১৩ রানের রোমাঞ্চকর জয় পেয়েছে খুলনা বিভাগ।

খুলনার দেওয়া ২০০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১৮৬ রানে অলআউট হয়ে যায় রংপুর। নাসির হোসেনের নেতৃত্বাধীন দলকে হারিয়ে এবারের ওয়ালটন জাতীয় ক্রিকেট লিগে প্রথম জয় পেয়েছে প্রথম দুই ম্যাচ ড্র করা খুলনা।

চতুর্থ ইনিংসে রংপুরের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৬ রান করেন ধীমান ঘোষ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৮ রান আসে নাঈম ইসলামের ব্যাট থেকে।

৫৮ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর সপ্তম উইকেটে ৬২ রানের জুটি গড়ে রংপুরের জয়ের আশাও জাগিয়েছিলেন ধীমান-নাঈম। তবে খুলনার দুই স্পিনার মিরাজ ও রাজ্জাকের ঘূর্ণিতে রংপুরের জয়ের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।

চতুর্থ ইনিংসে তরুণ তুর্কি মিরাজ ৪ উইকেট নেন ৫৩ রান খরচায়। অভিজ্ঞ রাজ্জাকও ৪ উইকেট নেন ৯৭ রানের বিনিময়ে। একটি করে উইকেট জমা পড়ে জিয়াউর রহমান ও মুরাদ খানের ঝুলিতে।

ওয়ালটন ১৭তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের তৃতীয় রাউন্ডে প্রথম স্তরের এই ম্যাচে খুলনার দেওয়া ২০০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে তৃতীয় দিনে ৩৬ রানেই ৫ হারিয়েছিল রংপুর। তৃতীয় দিন শেষে রংপুরের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ৫৮ রান। সেখান থেকে খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার চতুর্থ ও শেষ দিনে ব্যাটিং শুরু করেন নাঈম ইসলাম ও ধীমান ঘোষ।

তৃতীয় দিন শেষে ১৫ রানে অপরাজিত থাকা নাঈম শেষ দিনে নতুন ব্যাটসম্যান ধীমানকে নিয়ে দারুণ প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। এই দুজনের ব্যাটে জয়ের স্বপ্নও দেখতে শুরু করে রংপুর। সপ্তম উইকেটে ৬২ রানের জুটি গড়েন নাঈম-ধীমান। কিন্তু এর পরই নাঈম ইসলামকে এলবিডব্লিউ করে জুটি ভাঙেন খুলনার বাঁহাতি স্পিনার মুরাদ খান। নাঈমের ব্যাট থেকে আসে ৩৮ রান।

নাঈমের বিদায়ের পর আরিফুল হককে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যান ধীমান। দুজনের ব্যাটে ৭ উইকেটে ১৪৭ রান নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে যায় রংপুর। কিন্তু লাঞ্চ বিরতির পর স্কোরবোর্ডে আর ৩ রান জমা হতেই বিদায় নেন আরিফুল। ২০ রান করা আরিফুলকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ধীমান-আরিফুল অষ্টম উইকেটে আসে ৩০ রান।

আরিফুল বিদায় নিলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে ফিফটি তুলে নেন ধীমান। কিন্তু এর পরই ধীমানকে বিদায় করে রংপুরের জয়ের স্বপ্ন গুঁড়িয়ে দেন মিরাজ। ৫৬ রান করা ধীমানকে ইমরুল কায়েসের ক্যাচে পরিণত করেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলের এই অলরাউন্ডার।

ধীমানের বিদায়ের পর শেষ উইকেটে রংপুরের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৯ রান। ব্যাটিংয়ে ছিলেন সাদ্দাম হোসেন ও সঞ্জিত সাহা। রাজ্জাকের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে রানের খাতা খোলেন সাদ্দাম। শেষ উইকেটে সঞ্জিতের সঙ্গে ২৫ রানের জুটি গড়ে দলের জয়ের আশাও জাগিয়ে তোলেন তিনি। তবে চতুর্থ ইনিংসে প্রথমবারের মতো বোলিংয়ে এসে রংপুরের সব আশা-আকাঙ্ক্ষা ধুলোয় মিশিয়ে দেন জিয়াউর রহমান। সাদ্দামকে মিরাজের ক্যাচ বানিয়ে খুলনার জয় নিশ্চিত করেন এই মিডিয়াম পেসার।

ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন ম্যাচে ১০ উইকেট নেওয়া মেহেদী হাসান মিরাজ।




Leave a Reply

Your email address will not be published.