Search
Tuesday 27 October 2020
  • :
  • :

‘ঐতিহাসিক হুমকি’র মুখে আর্মেনিয়া

‘ঐতিহাসিক হুমকি’র মুখে আর্মেনিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ৫ অক্টোবর : ককেশাস অঞ্চলে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের দুই প্রজাতন্ত্র আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু পর থেকেই প্রথমে আক্রমণ চালানো নিয়ে পরস্পরকে দোষারোপ করছে। বিতর্কিত নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে কয়েক দশক ধরে চলমান দ্বন্দ্ব গত রোববার নতুন করে আবার স্বশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেয়। ২০১৬ সালের পর এটাই সবচেয়ে বড় সংঘাত বলে খবর প্রকাশ করেছে সবাংদ মাধ্যম এফপি।

আর্মেনিয় নেতারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চলে আজারবাইজানের সাথে বর্তমান স্বশস্ত্র সংঘাতে দেশটির বিপুল ক্ষয়ক্ষতির কারণে আর্মেনিয়া একটি ঐতিহাসিক হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। এ সংকট গত মাস থেকেই তীব্রতর হচ্ছে।

আজারবাইজান থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া জাতিগত আর্মেনিয় অধ্যুষিত কারাবখ অঞ্চলে সাতদিন ধরে চলা সংঘাতের পর আর্মেনিয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, কারাবাখের বিচ্ছিন্নতাবাদী সেনারা আজারবাইজানের তীব্র আক্রমণ প্রতিহত করেছে। তবে, আর্মেনিয়া স্বীকার করেছে, কারাবাখের বিচ্ছিন্নতাবাদী যোদ্ধাদের মধ্যে ৫১ জন নিহত হয়েছে। যার ফলে উভয় পক্ষে মোট ২৪০ জনের মত ব্যক্তি নিহত হলো।

ইতোমধ্যে আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে, বিতর্কিত অঞ্চলটির কিছু অংশ তারা দখল করেছে। প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ দাবি করেছেন, তার দেশের সেনাবাহিনী মাদাজিক গ্রাম দখল করেছে। কৌশলগতভাবে গুরত্বপূর্ণ এ ছোট্টগ্রাম হতে উত্তরের একটি প্রধান সড়কের উপর নজরদারি করা যাবে।

আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান সকল আর্মেনিয়কে একতাবদ্ধ হতে আহ্বান করেছেন। তিনি বলেন, সম্ভবত আমরা আমাদের হাজার বছরের ‘ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক’ সময় পার করছি। একমাত্র জয়ের লক্ষ্য নিয়ে এখন আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

গত শনিবার কারাবাখের আঞ্চলিক রাজধানী স্টেপনাকার্টে রকেট ও গোলাবর্ষণ শুরু হয়। আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারাও ঐদিন ব্যাপক গোলাবর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন।

নাগার্নো-কারাবাখ নিয়ে এ যুদ্ধে আঞ্চলিক শক্তি রাশিয়া ও তুরস্কের জড়িয়ে পড়ারও শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। রাশিয়া নেতৃত্বাধীন সাবেক সোভিয়েত দেশগুলোর একটি সামরিক জোটের সদস্য হলো আর্মেনিয়া। এ কারণে আর্মেনিয়াতে রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। অপরদিকে আজারবাইজানকে এ যুদ্ধে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছে তুরস্ক। দ্য নিউজ