স্পোর্টস ডেস্ক, ২ অক্টোবর : ইরানি ফুটবল এসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তারা জাতীয় নারী ফুটবল দলের নারী সদস্যদের স্থলে আট জন পুরুষকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তবে জানা গেছে, ফুটবল দলের ওই সদস্যরা নারী হওয়ার জন্য অস্ত্রোপচারের অপেক্ষায় রয়েছেন। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে টেলিগ্রাফ।

বুধবার ইরানি কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ ফুটবল দলের সদস্যদের ও প্রধান দলগুলোর সদস্যদের লিঙ্গ পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে। তবে কোন কোন সদস্যকে পুরুষ বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, তা প্রকাশ করা হয়নি।

নারী দলে পুরুষ অন্তর্ভুক্ত করায় ইরানি ফুটবল এসোসিয়েশনকে অনৈতিক বলে অভিযোগ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগ রয়েছে, ফুটবল টিমে ৮ জন পুরুষকে বিভিন্ন সময়ে খেলানো হয়েছে। গত আট বছর ধরেই ইরান ফুটবল ফেডারেশন এই কাজ করছে বলে জানা গেছে।
ইরানি নারী ফুটবল টিমে আট জন পুরুষ!

ইরানি নারী ফুটবল দলের সদস্যরা হিজাব পরেই ফুটবল খেলে থাকে। তবে ইরানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পুরুষ থেকে নারী হওয়া বৈধ। তাই অনেক ফুটবলারই পুরুষ থেকে নারী হওয়ার অস্ত্রোপচার করে তারপর নারী দলে অংশগ্রহণ করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অভিযোগ উঠেছে অনেক পুরুষ এ অস্ত্রোপচার না করেই নারী দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

ইরানি ফুটবল ফেডারেশনের সদস্য মুজবতি শারিফি নারী ফুটবল টিমে থাকা পুরুষ সদস্যের নাম ঘোষনা করেন এবং ঘটনার জন্য ইরান ফুটবল ফেডারেশনকে দায়ি করেন।
ইরানের নারী ফুটবল টিমে পুরুষ সদস্যদের নাম প্রকাশ পায় প্রথম ২০০৮ সালে । গত বছর ব্রিটেনের পত্রিকা টেলিগ্রাফ এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন করেছিল।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *