Search
Tuesday 24 May 2022
  • :
  • :

আমদানির এলসি খোলা কমেছে

আমদানির এলসি খোলা কমেছে

অর্থনৈতিক ডেস্ক : চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র (এলসি) খোলার পরিমাণ আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে। জুলাই-সেপ্টেম্বরে বিভিন্ন পণ্য আমদানির জন্য বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোয় ৯৭৭ কোটি ৮৯ লাখ ৩০ হাজার ডলারের এলসি খুলেছেন আমদানিকারকরা। গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৮৩ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছর জুলাই-সেপ্টেম্বরে চাল, গম, ডাল, দুগ্ধজাত খাবার ও চিনি আমদানি বাবদ খরচ কম হয়েছে। তবে এই সময়ে শিল্পের মধ্যবর্তী কাঁচামাল, মূলধনী যন্ত্রপাতি, কয়লা, পেপার অ্যান্ড পেপার বোর্ড আমদানি গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই-সেপ্টেম্বরে চাল আমদানির জন্য ৫ কোটি ৪৬ লাখ ৪০ হাজার ডলারের এলসি খোলা হয়েছে, যা আগের বছরের চেয়ে ৪৭ শতাংশ কম। গত বছর এ সময়ে ১০ কোটি ৩৬ ডলারের এলসি খুলেছিলেন চাল ব্যবসায়ীরা। গম আমদানিতে এলসি কমেছে ২৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ২৭ কোটি ৭৩ লাখ ডলারের গমের এলসি খোলা হয়। আগের বছর একই সময়ে খোলা হয়েছিল ৩৭ কোটি ৮৫ লাখ ডলারের এলসি।

চিনি আমদানির জন্য জুলাই-সেপ্টেম্বরে ১৫ কোটি ডলারের এলসি খোলা হয়েছে, গত বছর যার পরিমাণ ছিল ২৩ কোটি ১৯ লাখ ডলার। অর্থাৎ, এলসি কমেছে ৩৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ। ডাল আমদানিতে এলসি খোলা কমেছে ৩৮ দশমিক ৬২ শতাংশ। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ৭ কোটি ১৭ লাখ ডলারের এলসি খোলা হয়েছে ডালের জন্য। আগের বছর হয়েছিল ১১ কোটি ৭০ লাখ ডলারের। দুগ্ধজাত খাবার আমদানিতে এলসি খোলা কমেছে ৪৩ দশমিক ৬১ শতাংশ। এবার জুলাই-সেপ্টেম্বরে যেখানে ৩ কোটি ৭৬ লাখ ডলারের এলসি খোলা হয়েছে, গত বছর একই সময়ে হয়েছিল ৬ কোটি ৬৭ লাখ ডলারের। মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ৮৭ কোটি ৫৩ লাখ ডলারের এলসি খোলা হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের তুলনায় ৬ দশমিক ৯৫ শতাংশ বেশি। ওই সময়ে ৮১ কোটি ৮৪ লাখ ডলারের এলসি খোলা হয়েছিল। আর শিল্পের মধ্যবর্তী পণ্যের আমদানি বেড়েছে ৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ। গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময় এ ধরনের পণ্য আমদানির জন্য ৭৩ কোটি ৪৭ ডলারের এলসি খোলা হয়েছে, যা আগের বছর ছিল ৬৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

বাংলাদেশের ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, তিন মাসের হিসেবে ভোজ্যতেল আমদানি ৭২ শতাংশ, তৈলবীজ ৫২ শতাংশ ও কয়লা আমদানি ৪ হাজার শতাংশ বেড়েছে। আর কাঁচা তুলা আমদানি ২২ শতাংশ, সুতা আমদানি ১০ শতাংশ, ভাঙার জন্য জাহাজ আমদানি ৫১ শতাংশ, জ্বালানি তেল আমদানি ৪৯ শতাংশ ও রাসায়নিক সার আমদানি ২৫ শতাংশ কমেছে। -আমাদের সময়




Leave a Reply

Your email address will not be published.